শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

2G এবং 3G নেটওয়ার্কের মূল পার্থক্য কি?



2g 3gএখানে G বলতে Generation বা প্রজন্ম বুঝানো হয় । 2G : এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের তার বিহীন নেটওয়ার্ক । এই ব্যবস্থাতে ডিজিটাল তার বিহীন মোবাইল যোগাযোগের ক্ষেত্রে 28.8 Kbps হারে তথ্য আদানপ্রদান সংক্রান্ত সেবা দেয়া সম্ভব হয় । ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি GSM অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যাবসায়িকভাবে এবং GSM স্ট্যান্ডার্ডে 2G তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল । তখনকার এধরনের অন্যান্য বিদ্যমান প্রযুক্তি অপেক্ষা 2G তিনটি দিক দিয়ে এগিয়ে ছিলো । এ বাড়তি সুবিধাগুলো হলো :

-2G প্রযুক্তিতে ফোনে নিরাপদভাবে কথাবার্তা বলার জন্য সম্পূর্ণরূপে এনক্রিপশনের ব্যাবস্থা ছিলো ।

-তরঙ্গ বর্ণালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে 2G অন্যান্য প্রযুক্তি অপেক্ষা অনেক বেশি কর্মদক্ষ ছিলো ।

-2G এর মাধ্যমে SMS এর মতো বিভিন্ন রকম তথ্যও প্রেরণ করা যেতো ।

-2G চালু হওয়ার পূর্বের বিদ্যমান মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমকে ইতিহাস হিসেবে 1G হিসেবে উপাধি দিয়ে দেওয়া হয় । 1G নেটওয়ার্কে রেডিও সিগনাল ছিল অ্যানালগ। অন্যদিকে 2G নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়েছিল ডিজিটাল পদ্ধতি । তবে তখন উভয় নেটওয়ার্কই রেডিও টাওয়ারের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগনাল ব্যবহার করতো ।

3G : এটি হলো তৃতীয় প্রজন্মের তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি । এই প্রযুক্তিতে ন্যূনতম 500 Kbps থেকে সর্বোচ্চ 3 Mbps হারে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব । এটি আগের সকল তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিগুলোর চেয়ে অধিক গতিসম্পন্ন এবং উন্নত । 3G নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে 2G নেটওয়ার্কের সুবিধাসমূহের পাশাপাশি আরও কিছু সুবিধা উপভোগ করা যায় । যার মধ্যে রয়েছে দ্রুত গতির ইন্টারনেট, ভিডিও কল এবং মোবাইল টিভি ।

3.5G : এই নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে 3 Mbps থেকে 14 Mbps পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব ।

4G : ২০০৮ সালের মার্চে ITU (International Telecommunication Union) এর বেতার যোগাযোগ সেক্টর 4G এর প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তুসমূহের একটি রূপরেখা প্রবর্তন করে । তারা উচ্চ মোবিলিটি যোগাযোগের জন্য 100 Mbps এবং নিম্ন মোবিলিটি যোগাযোগের জন্য 1 Gbps গতি প্রণয়ন করে । মোবাইল WiMax এবং LTE-এর প্রথম অবমুক্তির পর থেকে যেসব সেবা 1 Gbps এর কম গতি প্রদান করে, ITU এর নীতি অনুযায়ী সেগুলোকে 4G সেবা বলা যাবে না, যদিও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলোকে 4G সেবা বলেই বাজারজাত করে ।

এককথায়, 2G, 3G, 3.5G, 4G এর মধ্যে মূল পার্থক্য এদের গতিতে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: