সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

৫১ কোটি কিমি. দূরের ধূমকেতুতে ‘ফিলে’র ঐতিহাসিক অবতরণ



 

Rosetta+irtoaminenঅনলাইন ডেস্ক: চাঁদ, মঙ্গলকে পেছনে ফেলে এবার ধূমকেতুতে পৌঁছানোর ইতিহাস গড়ল মানুষ। মানুষ পৌঁছাতে না পারলেও পৃথিবী থেকে ৫১ কোটি কিলোমিটার দূরের একটি ধূমকেতুতে পৌঁছেছে মানুষের তৈরি অনুসন্ধানী রোবট ‘ফিলে’।

এই ঘটনাকে ‘মানব সভ্যতার বিশাল অর্জন’ হিসেবে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।
আজ বুধবার গ্রিনিচ মান সময় ১৬টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশি সময় রাত ১০টা ৫ মিনিটে) ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ) পাঠানো ‘ফিলে’ ‘কমেট ৬৭/পি/চুরিউমভ-গেরাসিমেনকো’ নামের ধূমকেতুর পৃষ্ঠে অবতরণ করে, যা বরফ ও ধুলাবলিতে ঘেরা।

এদিকে ধূমকেতুতে ফিলের সফল অবতরণের পর জার্মানিতে এটির নিয়ন্ত্রণকক্ষে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। ইএসএর ডিরেক্টর জেনারেল জ্যাঁ জ্যাকস দরদাইন বলেছেন, ‘মানব সভ্যতার জন্য এটি একটি বিশাল অর্জন।’

রোবটটি ধূমকেতুর পৃষ্ঠে অবতরণ নিশ্চিত হওয়ার কিছুক্ষণ পর মিশনের প্রধান স্টেফান উলামেক বলেন, ‘ফিলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে… আমরা এখন ধূমকেতুতে আছি।’
ফিলের পাঠানো তথ্যের মাধ্যমে সৌর জগতের উৎ​পত্তি সম্পর্কিত বহু অজানা তথ্য মিলবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

শিল্পীর চোখে ‘ফিলে’র অবতরণ। ছবি: এএফপি

শিল্পীর চোখে ‘ফিলে’র অবতরণ। ছবি: এএফপি

আড়াই মাইল চওড়া ওই ধুলো ও বরফের ধুমকেতুতে ফিলের অবতরণ নিয়ে সংশয়ে ছিলেন বিজ্ঞানীরা। অবতরণের প্রধান সমস্যা ছিল ধুমকেতুটির মাধ্যকর্ষণ। পৃথিবীর তুলনায় সেখানকার মাধ্যকর্ষণ অনেক কম। এ ছাড়া ধুমকেতুর পৃষ্ঠটি বহু খানাখন্দে ভর্তি।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ফিলের পাঠানো ওই ধুমকেতুপৃষ্ঠের ছবি দেখে সেখানকার রাসায়নিক কম্পোজিশন বিশ্লেষণ করা হবে। এটি থেকে সাড়ে চারশ কোটি বছর আগে সৌরজগৎ​ সৃষ্টির সময়ের নানাদিক সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। বিবিসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: