শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

হামলা সম্পর্কে আগেই জানত পাক সরকার



9dc6soqa-670x377আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলে হামলা সম্পর্কে পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখাওয়া প্রদেশের সরকারকে কয়েক মাস আগেই সতর্ক করেছিল গোয়েন্দা বিভাগ। সোমবার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

খাইবার-পাখতুনখাওয়া’র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এ খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেছে, উপজাতি এলাকা ওরাকাজি’র তালেবান কমান্ডার খাকসার দলের অন্য দুই সন্ত্রাসী বিলাল এবং ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে সেনাবাহিনী পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার পরিকল্পনা করছেন বলে তাদেরকে জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে স্থানীয় সরকারকে গত ২৮ আগস্ট লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছিল।

হামলা সম্পর্কে আগেই জানত পাক সরকারওই সতর্কবাণীতে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল, বিলাল এবং ওবায়দুল্লাহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে হামলার টার্গেটগুলো পরিদর্শণ করতে শুরু করেছেন। সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানরাই যে তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু এ বিষয়েও স্থানীয় সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল। তারা এমন একটা হামলার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছিল, যাতে বেশি সংখ্যক সেনা কর্মকর্তাদের ছেলেমেয়েদের হত্যা নিশ্চিত হয়।

আগস্টে প্রচারিত ওই বার্তায়, যে কোনো ধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করারও আহ্বান জানান হয়েছিল। হামলার এই সতর্ক বার্তার বিভিন্ন অনুলিপি খাইবার-পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তারা এই জঙ্গি হামলা রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বরের ওই সন্ত্রাসী হামলায় ১৪২ জন নিহত হয়েছিল যাদের বেশিরভাগই স্কুলশিশু। এ হামলাকে পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। হামলার পর সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ সন্ত্রাসবাদ মামলায় দোষি সাব্যস্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতে মৃত্যুদণ্ডের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: