রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

শার্লি হেবদো হামলার ঘটনার নিন্দায় মুসলিম সমাজ



অনলাইন ডেস্ক:: ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকা নিয়ে বেশ আগে থেকেই আলোচিত-সমালোচিত ফ্রান্সের শার্লি হেবদো শ্যাটায়ার ম্যাগাজিন অফিসে গত ৭ জানুয়ারি হামলার ঘটনায় মুসলিমরাও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেছে। হামলাকারীরা যদিও দাবি করেছিলো, ইসলামকে অবমাননার কারণে এই হামলা করেছে তারা, কিন্তু তাদের এই যুক্তি আমলে নেননি বেশিরভাগ মুসলিমই।

ইতোমধ্যে কায়রোর আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় এক বিবৃতিতে এই হামলাকে ‘অপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, ইসলাম কখনো এধরণের হামলাকে সমর্থন করে না। এবার দেখা গেল খোদ ফ্রান্সে বসবাসরত মুসলিমরা ‘আমি চার্লি’ লেখা প্লেকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এই হামলার।

এই হামলায় নিহতরা হলেন- ম্যাগাজিনটির সম্পাদক এবং কার্টুনিস্ট স্টিফেন শারবোনিয়ের (চার্লি) (৪৭), কার্টুনিস্ট- জিন (৭৬), বারনার্ড টিগনাস (৫৭), জর্জ ওলিনস্কি (৮০) এবং ফিলিপ হোনোরে (৭৩), অর্থনীতিবিদ এবং নিয়মিত ম্যাগাজিন কলামিস্ট বারনার্ড মারিস (৬৮) যিনি পাঠক সমাজে আঙ্কেল বারনার্ড নামে পরিচিত, প্রুফ রিডার মুস্তফা ওরাড, কলামিস্ট ইসা সায়াত (নারী), অতিথি মাইকেল রেনাউড যিনি ক্ল্যারমোন্ট শহর থকে এসেছিলেন, কেয়ারটেকার ফ্রেডারিক বইস্যুঁ (৪২) এবং পুলিশ অফিসার ফ্র্যাঙ্ক ব্রিনসোলারো এবং আহমেদ মেরাবেত (৪২)। এদের মাঝে ফ্র্যাঙ্ক ব্রিনসোলারো ম্যাগাজিনটির সম্পাদক স্টিফেনের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সম্পাদক স্টিফেন হত্যার হুমকি পাওয়ার পর থেকেই ফ্রান্স সরকার তার নিরাপত্তার জন্য পুলিশ নিয়োগ দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: