মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

শতবর্ষ পূর্ণ হলো ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের



150304053739_hardinge_bridge_century_640x360_bbc_nocreditনিউজ ডেস্ক :: ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর উপর ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজের শতবর্ষ পালিত হচ্ছে আজ।
১৭৯৮ মিটার বা ৫৮০০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ রেল সেতুর শতবর্ষ পালনে রেল বিভাগের কোন আয়োজন না থাকলেও স্থানীয়রা সাড়ম্বরেই পালন করছেন – হার্ডিঞ্জ ব্রিজের একশ বছর।
উদযাপন পরিষদের আহবায়ক পাকশী রেলওয়ে কলেজের সাবেক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন উদীচী, খেলাঘর ও স্পন্দন যৌথভাবে নানা অনুষ্ঠান করছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের শতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে।
এসব আয়োজনে থাকছে কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ইতিহাসবিদদের নিয়ে আলোচনা সভা।
“এ রেল সেতু অত্যন্ত ঐতিহাসিক। এটি নিয়ে আমাদের মধ্যে আবেগ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে এ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। পরে ব্রিটিশ সরকারের সহায়তাতে এটি সংস্কার হয়েছে। সব মিলিয়ে এর শতবর্ষ আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ,” বলছিলেন মি. আজাদ।
পাকশী রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আফজাল হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, “সেতুটির বয়স একশ বছর হওয়ার পরও এটিই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এছাড়া মৈত্রী ট্রেন ভারতে যায় এ সেতুর উপর দিয়েই। আবার ভারত থেকে দর্শনা হয়ে মালবাহী ট্রেনকেও এ সেতু ব্যবহার করতে হয়। এ সেতুটি তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার একটি”।
রেলওয়ে ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ১৮৮৯ সালে তৎকালীন অবিভক্ত ভারত সরকার আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও উত্তরবঙ্গের সাথে কলকাতার যোগাযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
পরবর্তীতে ১৯০৯ সালে ব্রিজ নির্মাণের সার্ভে শুরু হয়।
২৪ হাজার শ্রমিক দীর্ঘ ৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ১৯১৫ সালে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
সেতুটির নির্মাণে তখন ব্যয় হয়েছিলো প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। ব্রিজটিতে ১৫টি স্প্যান আছে।
৪ঠা মার্চ ১৯১৫ সালে সেতুটি উদ্বোধন করা হয়।
তৎকালীন ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
তাঁর নামানুসারে ব্রিজটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: