সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিখোঁজ দম্পতি



6. jouto bahiniনিউজ ডেস্ক::
রংপুরের মিঠাপুকুরে বাসে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় আল-আমিন কবীর ও বিউটি বেগম নামে এক দম্পতিকে তুলে নিয়ে গেছে যৌথবাহিনীর পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা। তবে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই দিন পরও তাদের আর কোনও সন্ধান মেলেনি। এই ঘটনায় ওই দম্পতির স্বজনেরা পড়েছেন উদ্বেগ আর চরম অনিশ্চয়তায়। তবে পুলিশের দাবি, কবীর ও বিউটি নামের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কবীর ও বিউটির নিখোঁজের অভিযোগ করেন আল-আমিন কবিরের মা মাতোয়ারা বেগম।

প্রশাসনের কাছে নিখোঁজ সন্তান ও পুত্রবধূর সন্ধান দাবি করে মাতোয়ারা বেগম লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। তিনি বলেন, ‘গত বুধবার বিকেলে চিথলি দক্ষিণপাড়া গ্রামে যৌথবাহিনীর পরিচয়ে অভিযান চালানো ব্যক্তিরা ঘুমন্ত আল-আমিন কবিরকে ঘর থেকে বের করে এনে জনসম্মুখে বেধম মারধর করে। এক পর্যায়ে কালো কাপড় দিয়ে তার চোখ মুখ বেঁধে টেনেহিচড়ে নিয়ে যায়।’ এসময় আল-আমিনের স্ত্রী বিউটি বেগম ও স্থানীয় ছাত্রাবাসের কাজের মহিলা মৌসুমীকেও আটক করা হয়।

মাতোয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনার পর বিভিন্ন মাধ্যম থেকে খবর আসে আল-আমিনের দু’পায়ে গুলি করা হয়েছে। তার ছেলেকে ক্রসফায়ারের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

মাতোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমি রংপুর কারাগার, কোর্ট, কোতোয়ালী থানা, মিঠাপুকুর থানা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে আমার পুত্র ও পুত্রবধুর কোনও সন্ধান পাইনি। আমি আমার নিরাপরাধ সন্তান ও পুত্রবধুর জীবনের নিরাপত্তা চাই। সুস্থ শরীরে তাদের ফেরত পেতে চাই।’ এজন্য তিনি প্রশাসন ও মিডিয়ার সহযোগিতা চান।

সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া ও জহির উদ্দিন নামে পরিবারের অপর দুই সদস্য সঙ্গে ছিলেন। এঘটনার সত্যতা নিয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসেনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জানা যায়, আল-আমিন কবির নামে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এছাড়া এরকম নামে কোনও দম্পত্তির খোঁজ তাদের কাছেও নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: