সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ চৈত্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

যে গ্রামে কবর থেকে তুলে প্রিয়জনকে শ্রদ্ধা জানানো হয়



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: আর্থিক অনটন যতই থাক না কেন, প্রিয়জনের অন্ত্যেষ্টির কাজে কোনও ত্রুটি হওয়া চলবে না। মৃত্যুর সপ্তাহ খানেক পর কবর থেকে মৃতদেহ তুলে এনে তবে তার অন্ত্যেষ্টির কাজ করা হয়! একবার নয়, এমনটা করা হয় প্রতি তিন বছর পর পরই। অবাক হচ্ছেন! বিগত কয়েক শতাব্দি ধরে এমনই সামাজিক রেওয়াজ পালিত হয়ে আসছে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি পর্বতের বিচ্ছিন্ন একটি গ্রামে বসবাসকারী তোরাজান উপজাতির মধ্যে। তোরাজান উপজাতির শতাব্দি প্রাচীন এই রীতির নাম ‘মানিন’।

শোনা যায়, তোরাজান উপজাতির মানুষরা বিশ্বাস করেন, মৃত্যুই জীবনের শেষ নয়। কারণ তাদের মতে, মৃত্যু আসলে আধ্যাত্মিক জীবনে প্রবেশের একটি পর্যায়। এ ছাড়াও তাদের বিশ্বাস, মৃত্যুর পর তাদের প্রিয়জনের আত্মা ফের ঘরে ফিরে আসে। তাই প্রতি তিন বছর পর পর কবর থেকে দেহগুলো তুলে এনে দেখে নেওয়া হয়, কী পরিস্থিতিতে রয়েছেন তারা। এ ছাড়াও, মেরামত করা হয় কফিনগুলোকেও।

তোরাজান উপজাতির প্রাচীন রীতি মেনে, তিন বছর পর পর কবর থেকে প্রিয়জনের দেহগুলো তুলে, সাজিয়ে গুজিয়ে রীতিমতো হাঁটিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। দেহগুলো থেকে পুরনো মলিন জামা কাপড় বদলে ফেলে পরানো হয় নতুন জামা কাপড়। তোরাজান উপজাতির মানুষরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে, যে যার সাধ্য মত খরচ করে এই রীতি পালন করেন। তিন বছর ধরে এর প্রস্তুতি চলে একটু একটু করে। ১৯৭৯ সালের পর ডাচ মিশনারিদের হাত ধরে সভ্যতার আলো কিছুটা হলেও পৌঁছেছে সুলাওয়েসির এই গ্রামে। বহির্জগতের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে তোরাজান উপজাতির মানুষদের। তবে এখনও ‘মানিন’-এর রীতি একইভাবে পালিত হয় এখানে।

সূত্র: জি নিউজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: