মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

যীশুখ্রিস্টের বিয়ে হয়েছিল বারবনিতার সঙ্গে?



jishuঅনলাইন ডেস্ক: যীশু খ্রিস্টের জীবনী নিয়ে এক গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ব্রিটিশ লাইব্রেরি থেকে উদ্ধার হওয়া ১৪৫০ বছরের পুরনো পাণ্ডুলিপি থেকে জানা যাচ্ছে, যীশুর বিয়ে হয় তাঁরই অনতম্য শিষ্যা মেরি ম্যাগডালেনের সঙ্গে। মেরি ছিলেন একজন বারবনিতা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে এই পাণ্ডুলিপি থেকে, যীশুখ্রিষ্ট ছিলেন দুই সন্তানের পিতা। নিজেদের নতুন বই দ্য লস্ট গসপেল-এ প্রফেসর ব্যারি উইলসন ও ইতিহাসবিদ স্মিকা জাকোবোভিচ লিখছেন, যীশুর দুই সন্তানকে হত্যা করা হয় যীশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ১৩ বছর আগে। এ ছাড়াও এই বই থেকে জানা যাচ্ছে, যীশুর সঙ্গে রাজনৈতিক যোগসাজশ ছিল রোমান রাজা টিবেরিয়াসের।
তবে যীশুর ধর্মপ্রচারে মেরি ম্যাগডালেনের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে সন্দেহ নেই কোনো ধর্মবিশেষজ্ঞরই। যীশুর জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন দুই নারী। প্রথম ছিলেন তাঁর মা মেরি। তারপরই উঠে আসে ম্যাগডালেনের নাম। যীশুর ক্রুশবিদ্ধ পর্ব শেষ হওয়ার পর এই ম্যাগডালেনের উপস্থিতির কথা জানিয়েছে বিভিন্ন ধর্মতত্ত্ব।
তবে যীশুর সঙ্গে ম্যাগডালেনের বিয়ের নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিভিন্ন চার্চের ধর্মযাজকরা এই তথ্য উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, দ্য লস্ট গসপেল ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণের চেয়ে জনপ্রিয় গল্পের হাত ধরেছে বেশি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় প্রফেসর ডায়রমেইড ম্যককুল্লচ এই তথ্য সম্পূর্ণ খারিজ করে বলেছেন, এটা খুব নোংরা শোনাচ্ছে।
সূত্র : জি নিউজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: