রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

মেয়ে ও জামাইকে তলোয়ার দিয়ে কেটে হত্যা করলো পিতা



7. punjabআন্তর্জাতিক ডেস্ক::
পরিবারের অমতে বিয়ে করায় মেয়ে ও জামাইকে তলোয়ার দিয়ে কেটে হত্যা করল মেয়ের পরিবারের লোকেরা। খুনের গোটা ছকটি সাজিয়েছিল মেয়ের বাবা। তলোয়ারের কোপে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জামাইয়ের। রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।

ভারতের পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর জেলার ঘটনা। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় পাঞ্জাব পুলিশও। কারণ কয়েক দিন আগেই ওই দম্পতিকে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

পুলিশ সূত্রে খবর, বছর বাইশের সন্দীপের সঙ্গে ২০ বছর বয়সি খুশবুর দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তিন মাস আগে তাঁরা বিয়ে করেন। ভিন সম্প্রদায়ের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে মেনে নেয়নি খুশবুর পরিবার। যদিও পুত্রবধূকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেয় সন্দীপের পরিবার। সন্দীপের পরিবারের তরফে অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই খুশবুর বাবা ও আত্মীয়রা মেয়ে-জামাইকে প্রাণে মারার হুমকি দিতে শুরু করে। কিন্তু বাবা হয়ে নিজের মেয়ে-জামাইকে সত্যিই খুন করে দেবে, ভাবতেও পারেনি সন্দীপের পরিবার।

ক্রমাগত হুমকিতে জেরবার হয়ে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সন্দীপ ও খুশবু। গত সপ্তাহে পঞ্জাব পুলিশকে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, সন্দীপ ও খুশবুকে পুলিশি নিরাপত্তা দেবে পঞ্জাব পুলিশ। কিন্তু আদালতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে পুলিশ তাঁদের বলে, গ্রামে ফিরে যান। ফের কোনও হুমকি এলে স্থানীয় থানাকে জানাবেন। রোববারই মুগওয়াল গ্রামে নিজেদের বাড়িতে ফেরেন সন্দীপ ও খুশবু। এটাই ছিল, তাঁদের শেষ ফেরা।

ওই দিন রাতেই কালো কাপড়ে মুখ ঢাকা ৪-৫ জন সন্দীপদের বাড়িতে হামলা চালায়। প্রত্যেকের হাতেই ছিল খোলা তলোয়ার। প্রথমেই তারা তলোয়ারের কোপ মারে খুশবুর উপরে। তারপর সন্দীপকে মাটিতে ফেলে বার বার কোপাতে শুরু করে। ছেলেকে বাঁচাতে চেষ্টা করলে ওই দুষ্কৃতীরা সন্দীপের বাবাকে তলোয়ারের কোপ মারে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু পথেই মৃত্যু হয় সন্দীপের। তাঁর বাবা ও স্ত্রী আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। যে কোনও মুহূর্তে খুশবুর খারাপ কিছু একটা হয়ে যেতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন ডাক্তাররা। সন্দীপের পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন সন্দীপের মা। তিনি পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, মুখ ঢাকা লোকগুলির একজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। সে আর কেউ নয়, খুশবুর বাবা সোধি রাম। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সন্দীপের মা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: