শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

মৃত্যুপথযাত্রী মেয়েটির সোনালি চুলের শখ পূরণ



1418613907n-girlআন্তর্জাতিক ডেস্ক:: নাম অ্যাশান্তি স্মিথ। বয়স মাত্র ১১ বছর। দুরারোগ্য ব্যাধি হাচিনসন গিলফোর্ড প্রোগেরিয়া-য় ভুগছে সে। ডাক্তার বলে দিয়েছেন, এই রোগে আক্রান্তেরা ১৫ বছরের বেশি বাঁচতে পারে না। সে কথা জানে অ্যাশান্তি নিজেও। কিন্তু তার যে বড় শখ, স্কুলের বান্ধবীদের সঙ্গে গোটা একটা দিন কাটানোর। তাও যে সে অবস্থায় নয়, একদম ডানাকাটা পরীর সাজে।

কারণ, তার স্কুলের বান্ধবীদের মাথায় একরাশ সোনালি চুল। আর তার নিজের মাথায়? চিকিৎসার জেরে মাথায় চুল নেই। এ অবস্থায় কী আর বান্ধবীদের সামনে যাওয়া যায়?

অ্যাশান্তির এই খবর সে দেশের টেলিভিশনের প্রচারিত হতেই সাড়া পড়ে যায় মানুষের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত অ্যাশান্তির শখ পূরণে এগিয়ে আসে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

মা ও বোনকে নিয়ে ব্রিংটন ব্রাঞ্চে যায় অ্যাশান্তি। সেখানকার এক নামী পার্লার থেকে নিজে পছন্দ করে নকল চুল(ইউগ) কেনে সে। পরে একটি ইতালিয় রেস্তোরাঁয় ডিনারও সারে সপরিবার।

সে কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে বারবার চোখের পাতা ভিজে আসে তার মা ফোবি-র। তিনি বলেন, মেয়েকে এত উত্তেজিত হতে দেখিনি বহুদিন। ওর চোখে যেন ঘুমই আসছিল না।

ফোবি বলেন, ওর জীবনের আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। জীবনের শেষ নির্যাসটুকু আমার মেয়ে উপভোগ করতে চায়।

অ্যাশান্তির মা জানিয়েছেন, মাস দুয়েক আগে স্কুল থেকে মেয়েকে মাথায় নকল চুল লাগিয়ে আসতে বারণ করা হয়েছিল। কারণ, স্কুল কর্তৃপক্ষ মনে করেছিল, এভাবে স্কুলে গোলাপি রঙের পরচুলা পরে এলে, তা বাকি ছাত্রীদের নিজের চুলের দিকে অত্যাধিক সচেতন করে তুলবে। এই ঘটনার পর থেকেই আর স্কুলে যেতে চাইত না অ্যাশান্তি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: