সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

মর্গ থেকে জেগে উঠে চা চাইলেন ‘মৃত’ বৃদ্ধা



morgoবিচিত্র সংবাদ:: মর্গে রাখা মৃতদেহ হঠাৎ নড়ে চড়ে বলে উঠল, ‘উঃ ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি। এক কাপ গরম চা দাও’। নিজের কানকেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না মর্গের এক কর্মী। সবে মাত্র একটি মৃতদের নিয়ে তিনি ঢুকেছিলেন। হঠাৎ দেখলেন পাশের ঢাকা দেওয়া মৃতদেহটি নড়েচড়ে উঠল। ঢাকা খুলে দেখতে যেতেই শুনলেন, এক কাপ চা দাও। চমকে উঠে সবাইকে ডাকলেন তিনি। জানা গেল, মৃত ভেবে যাঁকে মর্গে পাঠানো হয়েছিল তিনি বেঁচে রয়েছেন। পোল্যান্ডের ওস্ট্রো লুবেলস্কি শহরে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ঘোষণার দুঘন্টা পরে জেগে উঠলেন ৯১ বছরের বৃদ্ধা জেনিনা কোল্কিওয়াইকজ।
এই ঘটনায় যে চিকিৎসক ওই বৃদ্ধাকে মৃত ঘোষণা করেছিলেন তিনি খুবই মর্মাহত। ওয়াইসলেওয়া নামের ওই মহিলা চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সমস্ত রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হন যে, ওই বৃদ্ধা মারা গিয়েছেন। গত ৬ নভেম্বর সকালে ডাক পেয়ে ওই বৃদ্ধার বাড়িতে যান ওই মহিলা চিকিত্সক। সেখানে গিয়ে তিনি বৃদ্ধার হাত ও গলার ধমণীর স্পন্দন দেখেন, হৃত্স্পন্দন, শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দও পরীক্ষা করেন। আলো পড়লে চোখেন মণিও নড়াচড়া করে কিনা, সেই পরীক্ষাও করেন। সব পরীক্ষার পর তিনি নিশ্চিত হন যে, ওই মহিলা মারা গিয়েছেন।
চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, বিন্দুমাত্র সংশয় থাকলে আমি অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বলতাম, ইলেট্রোডায়াগ্রামও করতাম। কিন্তু আমি নিশ্চিত ছিলাম যে রোগী মারা গিয়েছেন।
চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর ওই বৃদ্ধাকে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সময়টা তখন প্রায় মধ্যরাত। মর্গে একটি আবরণে ঢেকে তাঁকে রাখা হয়েছিল। সেই সময় মর্গেরই এক কর্মী আর একটি মৃতদেহ নিয়ে সেখানে আসেন। তিনি তো ঢাকা মরদেহকে নড়তে চড়তে দেখে হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন। ঢাকা খুলে দেখতে গিয়ে বিষ্ময়ের ঘোর কাটার আগেই তিনি শুনলেন, উঃ ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি। এক কাপ গরম চা দাও।
এরপর বৃদ্ধাকে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় প্রশাসন চিকিৎসকের কোনও গাফিলতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা ডেথ সার্টিফিকেট বাতিলের জন্যও আদালতে আর্জি জানানো হয়েছে।
এদিকে, মর্গ থেকে বাড়িতে আনার পর আর হাসপাতালেও পাঠাতে হয়নি। তিনি এখন সুস্থ রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: