মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

ভিলেজ অব ডেড’ একসাথে হারিয়ে গেলো পুরো গ্রামবাসী !



villageআন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিচিত্র এই পৃথিবীতে কত বিচিত্র ঘটনাই না ঘটে। বিজ্ঞানী ও গবেষকরা শত শত বছর ধরে গবেষণা করেও এসব ঘটনার প্রকৃত কোনো কারণ খুঁজে পান না। এমনই একটি ঘটনা ঘটে উত্তর পশ্চিম কানাডার আজকুনি হ্রদের পাশে ‘ভিলেজ অব ডেড’ নামের একটি গ্রামে। এই ঘটনাটি ঘটার আগে এই গ্রামটি সম্পর্কে মানুষের তেমন কোনো জানাশোনা ছিল না। শুধুমাত্র গ্রামবাসী ও ব্যবসার কাজে যারা আসতেন তারাই শুধুমাত্র গ্রামটি সম্পর্কে জানতেন। এছাড়া এখানে পশুর লোম উৎপাদিত হতো বলে সে হিসেবে কিছুটা পরিচিতি ছিল। কিন্তু ১৯৩০ সালের পর সংবাদ মাধ্যমে একটি ঘটনা প্রকাশের মাধ্যমে গ্রামটি পুরো বিশ্বের নজড়ে চলে আসেন। কি সেই ঘটনা? নিজের কানে শুনে অনেকেরই বিশ্বাস হবে না ঘটনাটি।

কানাডার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত এই গ্রামটি ছিল উপজাতি অধ্যুষিত। প্রায় হাজার দুয়েক উপজাতির বসবাস ছিল এই গ্রামে। গ্রামের অধিবাসী ও পশম ব্যবসায়ীদের আনাগোনা ছাড়া তেমন কোনো কোলাহল ছিল না গ্রামটিতে।

১৯৩০ সালে একজন সাংবাদিক এই গ্রামের একটি অদ্ভুত ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। আর যার সূত্র ধরে সংবাদটি প্রকাশ করা হয় তিনি একজন পশম ব্যবসায়ী। তার নাম ‘জো লবেল’। পশম কেনার জন্য তিনি প্রায়ই গ্রামটিতে যেতেন। কিন্তু একদিন তিনি পশম কেনার জন্য গ্রামে গিয়ে দেখেন কোথাও কোনো মানুষ নেই। এ বাড়ি, ও বাড়ি খুঁজেও একজন মানুষও তিনি খুঁজে পেলেন না। বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তারা যে শার্টগুলো বুনছিল সেগুলো অসমাপ্ত অবস্থাতেই পড়ে আছে। অনেকে চুলোয় তরকারি গরম করতে দিয়েছেন, সেই তরকারি গরম হচ্ছিল। কিন্তু কোথাও কোনো মানুষের চিহ্ন নেই।

অবশেষে কবরস্থানে গিয়ে তিনি আরও হতবাক হয়ে যান। কবরস্থানের সবগুলো কবর পাওয়া গেল খোদিত অবস্থায়! কিন্তু কবরস্থানের ভেতরে কোনো লাশের দেখা মিললো না। ভেতরের সবগুলো লাশ কোথায় যেন উধাও হয়ে গেছে।

ঘটনার আকস্মিকতায় খেই হারিয়ে ফেলেন ‘জো লবেল’। তিনি দ্রুত দ্য রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশকে খবর দেন। মেজর থিওডোর লিস্টোর্টের নেতৃত্বে দ্য রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ পুরো গ্রাম ও আশপাশের এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজলো। কোনো গ্রামবাসীকে পেলেন না।

রহস্যের বেড়াজালে বন্দি:

ওই গ্রামের এস্কিমোদের পূর্বপুরুষদের সবগুলো কবর খোদিত অবস্থায় আছে আর সেগুলোর ভেতর থেকে লাশগুলো গায়েব! যে বা যেটি গ্রামবাসীদের নিয়ে গেল সে কি একই সঙ্গে কবরগুলোর ভেতরে থাকা লাশগুলোও নিয়ে গেছে? কিন্তু কবরের ওপরের মাটি বরফ জমে এতোটাই শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে এগুলো খনন করা যে কারও জন্যই বেশ দুঃসাধ্য কাজ। শুধুমাত্র অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেল ওই গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন গোত্রপ্রধানের কবরটি। তাহলে কি তার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অজানা এই রহস্য? হবে হয়তোবা।

পরবর্তীতে হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া সেই ২ হাজার গ্রামবাসীকে আর কখনোই দেখা যায়নি। কি হয়েছিল গ্রামের অধিবাসীদের? কিইবা হয়েছিল কবরে শায়িত লাশগুলোর? এই প্রশ্নের সব উত্তরই যেন সকলের কাছে অজানা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: