শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

বাংলাদেশি ব্রিটিশ এমপি প্রার্থী রুপা হককে হেনস্থা



Untitled-1 copyপ্রবাস ডেস্ক :: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে লন্ডনের আলোচিত আসন ‘ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন’ এ লেবার দলের এমপি প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা আশা হক। গতকাল শনিবার ছুটির দিনে সেখানে কনজারভেটিভ প্রার্থী এঞ্জি ব্রে র পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন লন্ডন মেয়র বরিস জনসন। রুপা হক ও বরিস জনসন মুখোমুখি হলে এই ঘটনা ঘটে। রুপা হক বরিস কে কিছু একটা বলতে চাইলে কনজারভেটিভ প্রার্থী এঞ্জি ব্রের এক সমর্থক পিছন থেকে তার মুখের সামনে লিফলেট দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। পরে পিছন থেকে দুহাত টেনে ধরেন। যা ব্রিটেনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহবস্থান ও সম্মান জানানোর রীতিকে ধুলোয় মিশিয়ে এমন ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে রীতিমত আলোড়ন তুলেছে।

ক্ষোভে ফুঁসছেন ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশিগণ। রুপা হক তার ভেরিফাইড ফেইস বুকে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন বরিস জনসনের মতো রাজনৈতিক ব্যাক্তির সামনে এমন ঘটনা একটা বাজে ইতিহাসের জন্ম দিলো। আমি আমার নির্বাচনী এলাকার জরুরী কিছু সমস্যা সমাধানের বিষয়ে মেয়রের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার সমর্থকদের এমন আচরণের প্রতিবাদ না করায় আশাহত হয়েছি। মানুষ লন্ডনের মেয়রের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করে।

উল্লেখ্য গত নির্বাচনে কনজারভেটিভ দলের কাছে হারানো আসনটি ফিরে পেতে মরিয়া লেবার পার্টি। যে কারণে লেবার পার্টির পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও আশা করছেন রূপাকে নিয়ে।

গত নির্বাচনে পরাজিত হওয়া লন্ডনের যে ১২টি আসন লেবার দল এবার ফিরে পেতে চায়, এরমধ্যে সবার শীর্ষে রূপা হকের ওই আসনটি। আবার লন্ডনের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ১০টি আসনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এই আসন।

দলের অন্যতম একটি ‘টার্গেট সিটে’ প্রার্থী হওয়ার কারণে বাড়তি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে রূপাকে।

লন্ডনের ইলিংয়ে জন্ম রূপার। এখানেই তিনি বড় হয়েছেন। ওই এলাকার স্কুলে পড়েছেন। এখন পরিবার নিয়ে সেখানেই থাকছেন এবং ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন তাঁর নিজের নির্বাচনী এলাকা। ক্যামব্রীজে পড়ুয়া রূপা হক কিংস্টন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। তিনি ইলিং বারার ডেপুটি মেয়র ও ছিলেন।

ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে গতবার তিন হাজার ৭১৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন রক্ষণশীল দলের এঞ্জি ব্রে। ওইবার ১৪ হাজার ২২৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল লেবার দল। এঞ্জি ব্রে এবারও আসনটিতে রক্ষণশীল দলের প্রার্থী হয়েছেন। ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম ও বিভিন্ন জরীপের ফলাফলে এই আসনে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছেন রুপা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: