বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

বাংলাদেশকে না জানিয়ে গঙ্গায় আরো ১৬টি বাঁধের পরিকল্পনা ভারতের



6.নিউজ ডেস্ক::
ভারত সরকার গঙ্গায় আরো ১৬টি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানতে পেরে ভারত সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ, জবাব পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

বাংলাদেশের অনুমতি ছাড়া, আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই গঙ্গায় আরো ১৬টি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারত। প্রকল্প বাস্তবায়নে এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংকের কাছে অর্থ সহায়তা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা জানতে চেয়ে ভারত সরকারের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এলাহাবাদ থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ১৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ গঙ্গা-হুগলিতে ১০০ কিলোমিটার পর পর বাঁধ দেবে। শুধু তাই নয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ঋণ সহায়তা চাওয়ার পর, পাটনায় প্রকল্প এলাকাও পরির্দশন করেছে সংস্থাটির প্রতিনিধি দল। এতদূর এগিয়ে গেলেও ভাটির দেশ বাংলাদেশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। এমনকি এ সর্ম্পকে কোনো তথ্যও দেয়া হয়নি যৌথ নদী কমিশনকে।

ফারাক্কাসহ অন্যান্য বাধের ফলে বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলো থেকে যে পরিমাণ পানি পাওয়ার কথা তার ১০ ভাগের এক ভাগ পায়। গঙ্গা নদীর ওপরে এখনই ৪০০’র বেশি ছোট-বড় বাঁধ রয়েছে। নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, কার্যত গঙ্গা দিয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত পানি আসবে কিনা তাই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিষয়টি আমলে এনে বাংলাদেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে গঙ্গা নদীতে এমন কোনো নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন না করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে নোট-ভারবাল পাঠানো হয়েছে গত মাসে।

ভারতের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, গঙ্গা ওয়াটার ওয়ে প্রজেক্টে’র আওতায় বাঁধগুলো হবে মূলত ব্যারাজভিত্তিক। এর মাধ্যমে ধরে রাখা পানি থেকে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নেয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ তৈরি করা হবে। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের জন্য জলপথ তৈরি করা হবে।

ভারতের এ মহাযজ্ঞ বাস্তব রূপ নিলে, বাংলাদেশ তো বটেই, চরমভাবে হুমকির মুখে পড়বে বিহার এবং উত্তর প্রদেশ অঙ্গরাজ্যও। তাই প্রকল্পটি বাতিলের দাবি উঠেছে সেখানেও। পরিবেশবিদরা বলছেন, এর ফলে শুধু গঙ্গাতীরে বসবাসকারী লাখো মানুষের জীবন এবং জীববৈচিত্র্যই নয়, বিপর্যস্ত হবে কৃষিকাজও।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: