সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বহু আগেই দেশের মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতো’



pmনিউজ ডেস্ক :: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে বহু আগেই এদেশের মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতো বলে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, মানুষ রোগে মরবে, এটা স্বাধীন দেশে হতে পারে না।
শনিবার গণভবনে ১১টি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এই ১১টি কলেজ উদ্বোধন করেন। যা ১১টি জেলায় স্থাপিত হয়েছে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
উদ্বোধন করা কলেজগুলোর মধ্যে ৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও ৫টি সেনা সদর দপ্তরের অধীনে আর্মি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।
নতুন এসব মেডিকেল কলেজগুলো হলো- টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, জামালপুর, পটুয়াখালী ও রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ।
এছাড়া ঢাকা, যশোর, রংপুর, বগুড়া ও কুমিল্লা সেনানিবাসে হচ্ছে আর্মি মেডিকেল কলেজগুলো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্য যে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে সকল কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। পরে আমরা ক্ষমতায় এসে জনগণের স্বাস্থ্য সেবার কথা চিন্তা করে আবার সেগুলো চালু করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের স্বাস্থ্য সেবার দিকে লক্ষ রেখেই দেশে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। আরো দুইটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। একটি হবে চট্টগ্রামে আরেকটি রাজশাহীতে।
তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে আমরা ৭টি বিভাগে ৭টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করবো। এ ছাড়া আরো একটি বিভাগ বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষ যেন ভালোভাবে বাঁচতে পারেন, না খেয়ে রোগে শোকে কষ্ট না পায় সেজন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। চিকিৎসা সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার, চিকিৎসা না পেয়ে রোগে-শোকে কষ্ট পেয়ে মানুষ মারা যাবে এটা হতে পারে না।
‘জনসংখ্যার তুলনায় ডাক্তারের সংখ্যা কম, তাদের ওপর চাপ অনেক বেশি। এজন্য মেডিকেল কলেজের প্রয়োজন আগামীতে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীসহ প্রতিটি বিভাগে ১টি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে’ বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মেডিকেল কলেজগুলোর শিক্ষার মান যেন ভালো হয় সে বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নজর দেয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজগুলো যেন মানসম্মত হয়, সেখান থেকে যেন রোগী মারার ডাক্তার বের না হয়। ডাক্তার হওয়া মানে পয়সা কামানো নয়, মানুষের সেবাই সবচেয়ে বড় কথা।
একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘোষণা টেলিগ্রাফ, টেলিপ্রিন্টার ও অন্য মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এ ঘোষণা দেয়ার কারণে তাকে পাকিস্তানি হানাদাররা গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল। গ্রেফতার হওয়ার আগেই মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে চলবে- সে ব্যাপারে সমস্ত ব্যবস্থা করে ও নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।
এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১১টি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: