রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি



download (3)নিউজ ডেস্ক :: ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগের একটি মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও এক আলোকচিত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছে ঝালকাঠির একটি আদালত।

তিন দফা তলবে আদালতে হাজির না হওয়া কারণে বুধবার প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও আলোকচিত্রী মজিদ খানের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন ঝালকাঠি জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আরিফুজ্জামান।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী দিন রেখেছে আদালত। তার মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে অতিরিক্ত পিপি এম আলম খান কামাল জানিয়েছেন।

মো. গণি আমিন বাকলাই নামের এক আইনজীবী গত ৯ অক্টোবর কয়েকটি প্রতিবেদনে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার’ অভিযোগে মতিউর রহমান ও মজিদ খানের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের ১৬ নভেম্বর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন বিচারক।

ওই দিন হাজির না হওয়ায় পরে দুই দফায় ১১ ডিসেম্বর ও ১৮ জানুয়ারি হাজির হতে বললেও আসামিরা আদালতে যাননি বলে অতিরিক্ত পিপি কামাল জানিয়েছেন।

তিন দফা তলবেও আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক বুধবার আসামিদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন বলে সরকারি এই কৌসুলি জানান।

প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৯৫ ও ২৯৮ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ২৯৫ (ক) ধারায় অন্যের ধর্ম বিশ্বাসের অবমাননা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতে বিদ্বেষমূলক কোনো কাজ করলে দুই বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

আর দণ্ডবিধির ২৯৮ ধারায় বলা হয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতে বিদ্বেষমূলক শব্দ উচ্চারণ করলে এক বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: