শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

পাচার ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি সুন্দরবনের বাঘ



imagesনিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশের প্রানীবিজ্ঞানীরা মনে করেণ বাঘ সবসময় ঝুঁকিতে ছিল এখন আরো বেড়েছে এই ঝুঁকি। বাংলাদেশের বিভিন্ন বণ্যপ্রানীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। সারা বিশ্বে বাঘের চামড়াসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যাপক চাহিদা থাকায় চোরাকারবারিদের নজরে রয়েছে এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার।

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি রোববার বিকেলে পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে পাচার হয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি কচ্ছপ আটক করে।

বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, ভারত থেকে কচ্ছপের চালানটি এপারে আসছে এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে বিজিবি ওঁত পেতে থাকে।

চোরাকারবারীরা নিরাপত্তা বাহিনী দেখে কয়েকটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। বস্তার ভেতর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

এমন প্রেক্ষাপটে বণ্যপ্রানীদের পাচারের ঝুঁকিতে থাকার বিষয়টি আবারো সামনে চলে আসে।

ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট, বাংলাদেশের সদস্য ও প্রাণীবিজ্ঞানী ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন ভারতে আইনের প্রয়োগ বেশি তাই সবায় নজর রাখে।

ভারত থেকে রপ্তানি করা বেশ কঠিন তাই বাংলাদেশ থেকে করে থাকে চোরাকারবারিরা। তিনি বলেন কচ্ছপের চাহিদা রয়েছে দেশে।

কারণ বাংলাদেশে একটি সম্প্রদায়ের মানুষ এগুলো খেয়ে থাকেন। দক্ষিণ পূ্র্ব এশিয়ার সব দেশে এগুলোর ভাল চাহিদা রয়েছে। পাখি, বিভিন্ন পশুর চামরা, গুইসাপের চামরা পর্যন্ত পাচার হয়।

তিনি বলেন বাংলাদেশে কাকড়া বা চিংড়ি রপ্তানি করা হয়। এর মধ্যে দিয়েও মানুষ সুবিধা নিয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: