বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক আইএজে কমিটির সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «  

ধসের আশঙ্কায় সুন্দরবন হোটেল খালি



sndrbnনিউজ ডেস্ক :: ধসে যাওয়ার আশঙ্কায় বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক-সংলগ্ন সুন্দরবন হোটেল থেকে সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সুন্দরবন হোটেল ঘেঁষে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড টুইন টাওয়ারের জন্য করা পাইলিংয়ের গর্তে হোটেলের সীমানা প্রাচীর ও সড়কের একাংশ ধসে পড়ে। এতে হোটেলটি ঝুঁকির মুখে পড়ে। এরপরই হোটেলটি খালি করে দিতে বলে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থলে থাকা ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক শাকিল নেওয়াজ সকাল ১০টার দিকে বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে সুন্দরবন হোটেল থেকে সবাইকে সরিয়ে নিয়েছি। কারণ ভবনটির ভেতরে কয়েক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এখানকার মাটির যে অবস্থা, এতে ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

হোটেলটির কয়েকজন কর্মী বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ঘোষণার পরপরই তারা হোটেল থেকে সবাইকে নিরাপদে বের করে দিয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক শাকিল নেওয়াজ বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সিটি করপোরেশনের বিশেষজ্ঞদের দ্রুত ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিজেকে নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ক্রয় কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে শহীদুল হক নামের এক ব্যক্তি বলেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ করেই রাস্তার কিছু অংশ ধসে পাইলিংয়ের গর্তে গিয়ে পড়ে। ধসে পড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

পাইলিং করার সময় যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে শহীদুল দাবি করেন, যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাহলে ভেঙে পড়ল কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি বলতে পারব না, আমাদের ইঞ্জিনিয়ার আছেন, তাঁরা বলতে পারেন।’

ওই এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা, বেশ কিছু ভ্যানরিকশা ও হকারদের দোকান ওই গর্তে পড়ে আছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা এসেছেন। এটি মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের এলাকার মধ্যে পড়ায় বিষয়টি তাঁরা ওই স্টেশনের কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: