বুধবার, ৩ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

ধর্ষণের পর শিশুটির লাশ নদীতে পুঁতে রাখল ধর্ষক



নিউজ ডেস্ক:: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ধর্ষকের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ অভিযুক্ত বাপ্পীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গজারিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে তাওহীদা ইসলাম ইলমাকে (৯) ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পাশের মরা ডাকাতিয়া নদীতে পুঁতে রাখা হয়। পুলিশ গতকাল সকালে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

নিহতের মা হাছিনা বেগমসহ কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, স্কুলছাত্রী ইলমাকে শুক্রবার বিকেলে পাশের বাড়ির জাকির হোসেনের বখাটে ছেলে মাঈন উদ্দিন বাপ্পী (২০) ও একই বাড়ির আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমান (১৯) তেঁতুল খেতে দেওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে বাপ্পীর ঘরে ডেকে নেয়। এরপর তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। রাত পর্যন্ত মেয়েটির কোনো খোঁজ না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। এক পর্যায়ে গতকাল সকালে এলাকাবাসী সন্দেহভাজন হিসেবে বাপ্পীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তার দেওয়া তথ্যমতে, ডাকাতিয়া নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

জনতার হাতে আটকের পর বাপ্পী জানায়, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে প্রথমে লাশ তার ঘরের সিলিংয়ের ওপর লুকিয়ে রাখে। পরে রাতে বাড়ির পাশে মরা ডাকাতিয়া নদীতে লাশটি কাঁথা মুড়ি দিয়ে পানির নিচে ডুবিয়ে রাখে।

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার খবরে গতকাল এলাকার হাজারো মানুষ সেখানে জমায়েত হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ধর্ষক বাপ্পীর দুটি ঘর, একটি খড়ের গাদা এবং তার সহযোগী মিজানের দুটি ঘর ভাংচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, এ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি বাপ্পীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: