বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

তুরস্কে মিশরের বিলুপ্ত সংসদের অধিবেশন



1. turuskerনিউজ ডেস্ক::
মিশরের ২০১২ সালের বিলুপ্ত সংসদকে বৈধ হিসেবে দাবি করে তুরস্কের ইস্তান্বুলে অধিবেশন করেছে (ইখওয়ানুল মুসলিমিন) মুসলিম ব্রাদারহুড। অধিবেশনে ওই সংসদের বহু সদস্য অংশ নিয়েছেন।
তারা বলেছেন- এ অধিবেশনের মাধ্যমে সংসদের কার্যক্রম নতুন করে শুরু হলো এবং মিশরের সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ইস্তান্বুলেই সংসদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কার্যত ২০১২ সালে সৌদি আরব, আমেরিকা ও আরব-আমিরাতের অর্থ সহায়তায় আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি মিশরের নির্বাচিত ইসলামিক প্রথম গণতান্ত্রিক সরকারকে অবৈধভাবে এক সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে। তবে এর জের ধরে কাতার সৌদি আরবের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিলে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম ব্রাদারহুডের ব্যাপারে নীতিগত সমর্থন জানানোর কথা বলেন।

তারা জোর দিয়ে বলেন, মিশরের বর্তমান সরকার অবৈধ এবং তারা যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেগুলোরও কোনো মূল্য নেই। মিশরের সর্বোচ্চ সামরিক পরিষদ ২০১২ সালে দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষ এবং ২০১৩ সালে উচ্চকক্ষ ভেঙে দেয়। কিন্তু ওই সংসদের সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ কারণে তারা এখনও তাদেরকে বৈধ সাংসদ হিসেবে মনে করেন।

মিশরের ২০১২ সালের বিলুপ্ত সংসদের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণাকে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি’র বিরুদ্ধে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের নতুন করে আন্দোলন জোরদারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: