মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

চীনে বউ পাওয়া দায়!



chinaআন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চীনে আলোচিত ‘এক-সন্তান’ নীতির কারণে নারীদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ কারণে সেখানে বিয়ের জন্য কনে পাওয়া রীতিমতো দুরূহ হয়ে উঠেছে।
বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে জানানো হয়, চীনে নারী-পুরুষের আনুপাতিক ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় সেখানকার প্রায় সাড়ে তিন কোটি পুরুষকে বিদেশে কনে খুঁজতে হতে পারে।
২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, চীনে পুরুষের সংখ্যা ৬৯৭ দশমিক ২ মিলিয়ন। নারীর সংখ্যা ৬৬৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন। অর্থাৎ, নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা ৩৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন বেশি।
চীনে আশির দশকের শেষের দিকে ছেলেমেয়ের অনুপাত ছিল ১০৮:১০০। ২০১৩ সালে এসে এই অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১১৭: ১০০। কিছু এলাকায় এই অনুপাত আরও অনেক বেশি।
চীনের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তিন দশকেরও বেশি সময় আগে এক সন্তাননীতি চালু করা হয়। এই নীতির প্রভাবে সেখানকার সমাজে ছেলে সন্তানের চাহিদা বেড়ে যায়। এখন চীনকে ওই নীতির নেতিবাচক ফল গুনতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি কতটা মারাত্মক, সাম্প্রতিক এক ঘটনায় তা বোঝা যায়। সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীনা পুলিশ একদল নারী পাচারকারী গ্রেপ্তার করেছে। চক্রটি কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ থেকে নারী ও মেয়েদের চীনে নিয়ে এসেছে। এরপর চড়া দামে ওই নারী ও মেয়েদের চীনা পুরুষদের কাছে স্ত্রী হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছে। পাচার হওয়া নারীদের মধ্যে মিয়ানমারের কয়েকজন নাগরিকও রয়েছেন।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, চীনা পুরুষদের কাছে বিক্রির জন্যই এসব নারীকে নিয়ে আসা হয়, যাতে তাঁরা ক্রেতাদের বউ হতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: