বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «  

খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে যেভাবে ইসলামের পথে এক তরুণী



9.আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
আমেরিকার কলোরাডোর মেয়ে মারিয়া। আমেরিকার অন্যান্য খ্রিস্টান কিংবা নাস্তিক মেয়েদের মতই তিনিও পার্টিতে যেতেন, নাচ গান কিংবা মদপানে মেতে উঠতেন।
হঠাৎ ভাগ্যচক্রে এক পাকিস্তানি যুবকের সাথে পরিচয় ঘটে তার। তার স্কুলজীবনের ঠিক শেষের দিকটায়।
পরিচয়ের পর সখ্য, তারপর একসময় তাদের মধ্যে বাগদান সম্পন্ন হয়। কিন্তু একদিন মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সেই পাকিস্তানি যুবকটি।
যুবকটির উত্তম চরিত্র ও ব্যবহার তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হন মারিয়া।
মারিয়া তার জীবনের এই পটপরিবর্তন নিয়ে অনইসলাম ডটকমকে একটি সাক্ষাৎকার দেন।
তার এই সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হল-
আমি মারিয়া। এক বছর আগে আমি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছি। আমার জন্ম কলোরাডোর বোল্ডার শহরে। এখানেই আমি আমার স্কুল জীবন কাটিয়েছি।
আমার বাবা-মা দু’জনেই দক্ষিণ আফ্রিকান। তারা এখানে অভিবাসী। তাদের দু’জনেরই ধর্মে বিশ্বাস নেই। তারা উভয়েই নাস্তিক। সঙ্গত কারণেই আল্লাহর প্রতি তাদের কোন বিশ্বাস নেই।

আমার একমাত্র ভাই যিনি কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে অধ্যয়নরত। তিনি একজন ক্যাথলিক।
ইসলাম গ্রহণের আগে বাবা-মার মত আমারও আল্লাহতে কোনো বিশ্বাস ছিল না। আমারও কোনো ধর্ম ছিল না এবং ধর্মের প্রতি কোনো বিশ্বাসও ছিল না।
আমার বাবা-মা আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছে তাই শিখে বড় হয়েছি। যে কারণে আল্লাহর প্রতি আমার বিশ্বাস জন্মায়নি। ধর্ম বলে যে কোনো কিছু আছে তা মোটেই বিশ্বাস করতাম না।

মনে পড়ে, আমাদের পরিবারে যদি ধর্ম নিয়ে কোনো আলোচনা হত, তবে প্রায় এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই আলোচনা হত। ধর্ম যে প্রকৃতই ভাল কিছু, আগে তা বুঝতে পারিনি। আমি ভাবতাম, এটি সেই জিনিস যা অনেক সমস্যার কারণ। এটিকে পৃথিবীর সকল যুদ্ধ এবং যুদ্ধের উপাদান বলে মনে করতাম। এককথায় এটিকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখতাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: