রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

আশ্রয়কেন্দ্রে বাচ্চা মেয়েদের গোপনাঙ্গে নিয়মিত ছ্যাঁকা



daily-news241196-272x125আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
ভারতে ভোপাল শহরের একটি সরকার-অনুমোদিত আশ্রয়কেন্দ্রে বাচ্চা মেয়েদের বিছানা ভিজিয়ে ফেলা আটকাতে তাদের গোপনাঙ্গে নিয়মিত ছ্যাঁকা দেওয়া হত বলে জানা গেছে।

ওই হোমের বাসিন্দা একটি পাঁচ বছরের বাচ্চা মেয়ের মায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানকারীরা সেখানে গিয়ে এই ঘটনার প্রমাণ পেয়েছেন।সেখানে আরও অনেক মেয়েই জানিয়েছে তাদেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিবিসি বাংলার খবরে এমনই বলা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ওই আশ্রয়কেন্দ্রের কেয়ারটেকার মহিলাকে আটক করে তার বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।হোমের সুপার, কলাবতী নামে এক মহিলাকেও পুলিশ আজ গ্রেফতার করেছে।

ভারতে শিশুদের জন্য সরকারি বা সরকার-অনুমোদিত আবাসগুলোতেও তাদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালানোর খবর প্রায়ই সামনে আসে, কিন্তু তারপরেও ভোপালে লাডলি নামের হোমটিতে বাচ্চা মেয়েদের সঙ্গে যা ঘটেছে তা একেবারে শিউড়ে দেওয়ার মতো।

কোনও কারণে যে অসহায় বা দু:স্থ মেয়েরা নিজের পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারছে না, তাদের জন্য তৈরি ওই হোমটিতেই ছিল সাত ও পাঁচ বছর বয়সী দুই বোন।

এ মাসের গোড়ায় তারা আবার নিজের মায়ের কাছে ফিরে যায়, আর সেই মা একদিন ছোট মেয়েটিকে স্নান করাতে গিয়ে আবিষ্কার করেন তার গোপনাঙ্গে ছ্যাঁকা দেওয়ার দাগ। পুলিশের কাছে ও সরকারি শিশুকল্যাণ বিভাগে তার করা অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই হোমের নৃশংস রীতির কথা সামনে এসেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: