মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

আল-কায়েদার পৃষ্ঠপোষক কয়েকজন সৌদি রাজপুত্র



23. soudi newsআন্তর্জাতিক ডেস্ক::
সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরা ১৯৯০’র দশকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক আল-কায়েদাকে কোটি কোটি ডলার অর্থসাহায্য দিয়েছেন। এ চাঞ্চল্যকর খবর ফাঁস করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে বন্দি একজন সাবেক আল-কায়েদা সন্ত্রাসী।

৪৬ বছর বয়সি জাকারিয়া মুসাওয়ি গতকাল নিউ ইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে এক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য প্রকাশ করেন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় নিহতদের আইনজীবীদের দায়ের করা মামলার শুনানিতে তিনি এ জবানবন্দি দেন।

মুসাউয়ি বলেন, ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে কাজ করার সময় তিনি সৌদি রাজ পরিবারের কয়েকজন প্রখ্যাত ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল অঙ্গের অর্থ গ্রহণ করেছেন। এসব রাজপুত্রের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সৌদি গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়সাল, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত দীর্ঘদিনের সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স বন্দর বিন সুলতান এবং সৌদি ধনকুবের ব্যবসায়ী প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ স্বীকার করার পর ২০০৬ সালে মুসাউয়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। তিনি মার্কিন ফেডারেল আদালতকে আরো বলেন, “যারা আমাদেরকে অর্থ দিত শায়েখ ওসামা তাদের নাম লিখে রাখতে বলতেন কারণ… কোন কোন ব্যক্তি ‘জিহাদে’ শরীক হচ্ছেন তার একটি রেকর্ড রাখার প্রয়োজন ছিল।”

জাকারিয়া মুসাউয়ি আরো বলেন, তিনি একবার আফগানিস্তানের কান্দাহারে একজন সৌদি কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ওই সৌদি কূটনীতিক তাকে জানান কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে হামলা চালানো যায়। পরবর্তীতে ওয়াশিংটনে তিনি আবার ওই কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মুসাওয়ি বলেন, প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়সালসহ পদস্থ সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেন বিন লাদেন।

এদিকে ওয়াশিংটনস্থ সৌদি দূতাবাস এসব বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছে। দূতাবাসটি বলেছে, ‘ভয়ানক সন্ত্রাসী’ মুসাউয়ির আইনজীবীরা আদালতে বহুবার বলেছে, সে মানসিকভাবে অসুস্থ। এখন সৌদি আরব-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে ক্ষতিগস্ত করার জন্য সে এ ধরনের দাবি করছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা চালিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করলেও পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন ওসামা বিন লাদেন। মূলত বিশ্বব্যাপী মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করার অজুহাত হিসেবে খোদ মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীই ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা চালিয়েছিল।-আইআরআইবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: