মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ, ফার্মেসিতেই চিকিৎসা  » «   ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত  » «   এবার স্পেনও ছাড়ালো চীনকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ মৃত্যু  » «   সিলেট বিভাগে বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ  » «   করোনা মোকাবিলায় দেশে দেশে লকডাউন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি, করোনা বদলে দিচ্ছে রাজনীতি  » «   খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখছেন ড. কামাল  » «   করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গ্রিসে লকডাউন  » «   বান্দরবানের ৩ উপজেলা লকডাউন  » «   ইতালিতে একদিনে ৭৪৩ জনের মৃত্যু  » «   ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৬ মৃত্যু  » «   নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়াল  » «   সাধারণ ছুটিতে চালু থাকবে ব্যাংক  » «   করোনাভাইরাস: উৎকণ্ঠিত সিলেট, উদ্বিগ্ন মানুষ  » «  

পুনর্বাসন না করে হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সমাবেশ



নিউজ ডেস্ক:: পুনর্বাসন না করে হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ হকার ইউনিয়ন। বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। হকারদের সংহতি জানিয়ে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শরিফুজ্জামান শরিফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‌সিঙ্গাপুর বা ব্যাংককে নিশ্চয়ই আপনারা টাকা পাঠান না, বাড়ি-গাড়ি করেন না। যারা সেখানে টাকা পাঠায় তারা দেশের শত্রু। যারা গ্রামে টাকা পাঠায়, গ্রামের একটি মেয়েকে স্কুলে পড়ায় তারা এ দেশের বন্ধু। আপনারা বাংলাদেশের বন্ধু। এটি মেয়রকে বুঝতে হবে।’

তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে আট হাজার কোটি টাকা কেউ নিয়ে যায় আর আপনারা (ফুটপাতের হকার) তো ১০০ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ চান নাই। আপনারা একটু বাঁচতে চেয়েছেন। এই শহরে যখন গলা পানি থাকে, তখনও আপনার রাস্তায় বসে ব্যবসা করেন। এই শহরকে বাঁচিয়ে রেখেছেন আপনারা। তাহলে কেন আপনাদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে?

শরিফুজ্জামান শরিফ বলেন, ‌‌‌‌আপনারা ঋণ করে ছোট্ট একটা দোকান করেছেন, সেই দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এটা অন্যায়। যদি পাকিস্তানি বিহারী ও রোহিঙ্গাদের পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়, যদি ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া যায় তাহলে এই শহরে দেশের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য কেন একটু জায়গা দেওয়া যায় না।

পল্টনে গেঞ্জি বিক্রেতা হকার আবুল কাশেম বলেন, ২২ জানুয়ারি আমাদের উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আমরা কোথাও বসতে পারিনি, ব্যবসা করতে পারিনি। আমরা চাই পুনর্বাসন ছাড়া আমাদের যেন উচ্ছেদ করা না হয়।

বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে গেছে
গুলিস্তানের ট্রাউজার ও জার্সি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ বলেন, ফুটপাতে এখন আমাদের আর বসতে দেওয়া হয় না। এখন আমাদের বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে গেছে। আমরা চাই, আমরা যেন বেঁচে থাকার জন্য একটু জায়গা পাই যেখানে ব্যবসা করে খেতে পারি।

সমাবেশে কমরেড জহিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুলিস্তান, পল্টন ও মতিঝিল এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক হকার উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে তোপখানা রোডের একাংশ বন্ধ ছিল এক ঘণ্টা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: