শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «  

হবিগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: ২ মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



নিউজ ডেস্ক:: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় দায়েরকৃত দুই মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। বাকি আসামিদের বেখসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় এ রায় দেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়েরা জজ এসএম নাসিম রেজা। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার পুরান পাথারিয়া গ্রামের তোরাব আলী, সুরুজ মিয়া, আলী মোহাম্মদ ও করম আলী।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পুরান পাথারিয়া গ্রামের আলী মোহাম্মদ এবং করম আলীর গোষ্ঠীর মধ্যে সম্পতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ১৯৯৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে করম আলীর গোষ্ঠীর সায়েদ বিরোধপূর্ণ পুকুরে হাত মুখ-ধুতে যান। এ সময় আলী মোহাম্মদের সাথে কথা কাটিকাটি হয়। এর জের ধরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আলী মোহাম্মদ গোষ্ঠীর নুর মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে মারা যান।

করম আলী গোষ্ঠীর শামসুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত আফিল উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। নুর মোহাম্মদ হত্যা ঘটনায় আলী মোহাম্মদ বাদি হয়ে ১শ’ জনকে আসামী করে এবং অপর পক্ষ আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যার ঘটনায় আতিকুনেচ্ছা বাদি হয়ে ৪৬ জনকে আসামী করে একই দিন বানিয়াচং থানায় পৃথক মামলা দায়ের করেন।

উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বানিয়াচং থানার তৎকালীন এসআই অমরেন্দ্র মল্লিক ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট নুর মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১০৩ জনকে এবং আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যা মামলায় ৬২ জনকে আসামী করে আদালতে চার্জশিট দেন। আদালত আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যা মামলায় দীর্ঘ শুনানী শেষে ১৭ জনের মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে বৃহস্পতিবারএ রায় দেন।

রায়ে তোরাব আলী, সুরুজ মিয়া ও আলী মোহাম্মদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে একই ঘটনায় দায়েরকৃত নুর মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১৬ জনের মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহন শেষে রায় দেন বিচারক। রায়ে করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তাকেও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুক। তিনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: