মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানির শিকার ৬৮ শতাংশ নারী



নিউজ ডেস্ক:: সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের সাইবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী নারীদের ৬৮ শতাংশ সাইবার হয়রানি বা সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন। গবেষণায় উঠে এসেছে, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১১ ধাপে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এর মধ্যে চারটিই নতুন। এগুলো হলো, ফোনে বার্তা পাঠিয়ে হুমকি, কপিরাইট আইন লঙ্ঘন, পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে হয়রানির শিকার এবং অনলাইনে কাজ করিয়ে নেওয়ার কথা বলে হয়রানি।

‘বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের প্রবণতা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সিসিএ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ।

গতকাল রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন)। সাইবার সচেতনতা মাস অক্টোবর ২০১৯ এর আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সহ আয়োজক ছিল ‘থিংক ট্যাঙ্ক ফর সিকিউর ডিজিটাল বাংলাদেশ’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোনে বার্তার মাধ্যমে হুমকির শিকার হচ্ছেন ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। কপিরাইট লঙ্ঘনের মাত্রা ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অনলাইনে কাজ করিয়ে নিয়ে হয়রানির ঘটনা ঘটেছে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এগুলো নতুন ধরনের অপরাধ। এতোদিন পণ্য কিনে হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটলেও এবার সামনে এসেছে ব্যতিক্রমী ঘটনা। অনলাইনে বিক্রিত পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে গিয়ে হয়রানির ঘটনা ঘটেছে ০ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বর্তমানে সাইবার অপরাধের শিকার নারীর হার ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ যা আগের বছরে ৫১ দশমিক ১৩ ছিল। ভুক্তভোগীদের ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ আইনের আশ্রয় নেন না।

১৯ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন, আইনের আশ্রয় নিলে তাদের উল্টো হয়রানির শিকার হতে হবে। ১৬ শতাংশ মনে করেন অভিযোগ করেও লাভ হবে না। ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ সামাজিক ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ ভুক্তভোগী আইনের আশ্রয় নেন না।

‘থিংক ট্যাংক ফর সিকিউরিটি ডিজিটাল বাংলাদেশে’র আহ্বয়ক সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে সাইবার অপরাধও বাড়ছে। যারা সাইবার অপরাধে জড়াচ্ছেন তারা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার ইচ্ছা থেকে এ কাজ করে থাকেন।’

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা আফরোজ লাকী বলেন, বর্তমানে ফেসবুক হ্যাকড করে ম্যাসেঞ্জারের গোপন তথ্য ও ছবি নিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: