শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে ঐতিহ্যবাহী ক্বীনব্রিজ



নিউজ ডেস্ক:: এবার নগরীর ঐতিহ্যবাহী ক্বীনব্রিজে লাগানো হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের লক্ষ্যেই ক্বীনব্রিজে লাগছে সিসি ক্যামেরা। শুধু ক্বীনব্রিজেই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি পয়েন্টে বসানো হচ্ছে এফআর ফেস রেজ্যুলেশনের ১১০টি ক্যামেরা। আর এসব সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করা হবে কোতোয়ালি থানা থেকে।

প্রথমদিন সোমবার (১৭ জুন) ক্বীনব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু করে গ্লোবাল ট্রেড কর্পোরেশন। পর্যায়ক্রমে নগরীর অন্যান্য পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ এগিয়ে যাবে। ক্যামেরা স্থাপনকারীদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

সিটি করপোরেশন এলাকায় অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর অপরাধীদের স্পষ্ট মুখচ্ছবি চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এর আগে ২০১২ সালে সিলেট নগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিটি করপোরেশন ৯২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে। প্রথম ধাপে ২২টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিলো। এরপর পুলিশের অনুরোধে আরও ৭০টি সিসি ক্যামেরা বসায় সিটি করপোরেশন। এরমধ্যে দক্ষিণ সুরমায় ২২টি, আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কে ২২টি ও সিলেট জজ কোর্ট এলাকায় ২৬টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। আর কিছুটা সড়কের পাশে ড্রেন স্থপনের সময় খোলে রাখা হয়।

নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিপনী বিতানগুলোর ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে স্ব স্ব এলাকায় স্থাপন করা হয় আরও শতাধিক ক্যামেরা। অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সেগুলুর ওপর নির্ভর করে আসছে। ২৪ ঘন্টা সিসি ক্যামেরার যথাযথ পর্যবেক্ষন ব্যবস্থা করে পুরো নগরী দ্রুত সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন মনে করছেন নগর বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: