মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

সিলেটে বিদ্যুৎ বিভাগের নিরব চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ গ্রাহকরা



নিউজ ডেস্ক:: নিরবেই চলছে চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজির কবলে পড়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। এনিয়ে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ হলেও সমাধানে নেই কার্যকরী পদক্ষেপ। ফলে অব্যাহতভাবে চলছে গ্রাহক হয়রানী। চাঁদাবাজ চক্রও কাজ করে করে যাচ্ছে অনেকটা দাপটের সাথে। চাঁদাবাজ চক্রের প্রতিষ্ঠানের নাম সিলেটে বিদ্যুৎ বিভাগ।

অভিযোগ রয়েছে-এই বিভাগে কতিপর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের যোগসাজসে চলছে এই চাঁদাবাজি। পল্লীবিদ্যুৎ ও পিডিবি এলাকার কোথাও ট্রান্সফরমার বিকল কিংবা চুরি হলে গ্রাহকদের দিতে হয় দ্বিগুন ও তিনগুণ চাঁদা। তারপরও দেয়া হয়ে থাকে সেকেলে ট্রান্সফরমার যা কিছুদিন পরই আবারো হয়ে যায় বিকল।

অভিযোগ রয়েছে, ট্রান্সফরমার চোরদের সাথে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু সংখ্যক অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর গভীর সখ্যতা। চেরেরা একাধিক ট্রান্সফরমার চুরি করে তা আবার কিনে পরিবর্তন করে স্থাপন করা হয়ে থাকে। গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হলেও নতুন ট্রান্সফরমার দেয়া হয়-এমনটা বিরল। গ্রাহকরা নিয়মিত বিদ্যুৎবিল পরিশোধ করলেও বিনা টাকায় কোথাও ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন করা হয়না।

সম্প্রতি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর গ্রামে বিদ্যুতের একটি ট্রান্সফরমার বিকল হয়। গ্রাহকরা পক্ষকাল অন্ধকারে থাকার পর মোটা অংকের টাকা প্রদানকরার পর ট্রান্সফরমারটি পুনঃস্থাপন করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই গ্রামের একজন গ্রাহক জানান, ১৫ দিন অসহ্য গরমে গ্রামের ৩৩টি পরিবারের হাজার হাজার আদম সন্তানের নাভিশ্বাস হয়ে উঠে। বারবার আবেদন নিবেদন সত্বেও ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন না করে মধ্যসত্ত্বভোগী এক দালাল মাধ্যমে গ্রামবাসীর কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। অবশেষে বাধ্য হয়ে পরিবার প্রতি ১ হাজার টাকা করে ৩৩ হাজার টাকা চাঁদা দিলে পরে ট্রান্সফরমারটি প্রতিস্থান করা হয়।

এ ব্যাপারে পিডিবি’র আঞ্চলিক প্রকৌলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার অধীন চিকনাগুল এলাকায় টাকার বিনিময়ে কোন ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন করা হয়েছে-এমন বিষয় জানা নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: