সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

সাদা খাতা জমা দিয়ে সেরা নম্বর পেলেন ছাত্রী



নিউজ ডেস্ক:: ক্লাসে রচনা লিখতে দিয়েছিলেন শিক্ষক। এক ছাত্রী জমা দেন সাদা খাতা। আর তাতেই তিনি পেয়ে যান সর্বোচ্চ নম্বর। জাপানের মিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে এ ঘটনা। আর ওই ছাত্রী নাম এইমি হাগা। তার বয়স ১৯ বছর বলে জানিয়েছে বিবিসি।

কিন্তু সাদা খাতায় সেরা নম্বর পাওয়ার রহস্যটা কী? আসলে এইমি সে অর্থে সাদা খাতা জমা দেননি। খাতায় রচনাটি তিনি লিখেছিলেন অদৃশ্যমান কালিতে। মিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিনজা ক্লাবের সদস্য এইমি ‘আবুরিদাশি’ নামের এক ছোট্ট নিনজা কৌশল খাটিয়েই করেছিলেন কাজটি।

এ কৌশলে সয়াবিন ভিজিয়ে রেখে পরে গুঁড়ো করে তার সঙ্গে পানি মিশিয়ে অদৃশ্য কালি তৈরি করা হয়। ছোটবেলায় এ কৌশল সম্পর্কে পড়েছিলেন এইমি।তাই অন্যদের চেয়ে আলাদা কিছু করার চিন্তা থেকেই অদৃশ্যমান কালিতে শিক্ষক ইউজি ইয়ামাদার কাছে রচনা লেখা খাতা জমা দেন এইমি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও নিনজা সংস্কৃতি পড়ান ইয়ামাদা । সেদিন নিনজা ইতিহাস ক্লাসে ইগারিউ নিনজা জাদুঘর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচনা লিখতে দিয়েছিলেন তিনি। তার আগেই ইয়ামাদা বলে রেখেছিলেন, কেউ উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেখাতে পারলে সেরা নম্বর দেবেন।

তাই এইমির নিনজা স্টাইলে লেখা রচনায় মুগ্ধ হয়ে ইয়ামাদা তাকে সর্বোচ্চ নম্বর দেন। এইমি খাতাটি জমা দেওয়ার আগে সেটিতে দৃশ্যমান কালিতে লিখে দিয়েছিলেন, ‘পড়ার আগে তাপ দিয়ে নিন’।

এ লেখাটি দেখেই শিক্ষক ইয়ামাদা বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং বাসায় গিয়ে একটি গ্যাস স্টোভের উপর খাতাটি রেখে গরম করেন। আর তখনই ফুটে ওঠে এইমির লেখা। এমন সৃজনশীলতা দেখে ভীষণ মুগ্ধ হন ইয়ামাদা। তাছাড়া, এইমি রচনাটিও লিখেছিলেন ভাল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: