বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

সহসাই নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের তালিকা প্রকাশ: তথ্যমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক:: নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর তালিকা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজের লেকচার গ্যালারিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা অনলাইনের নিবন্ধনের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। আমরা খুব সহসা যেগুলো ভালো অনলাইন, প্রতিষ্ঠিতভাবে বহুদিন ধরে কাজ করছে, তাদের নিবন্ধন দিয়ে দেব। একইসাথে অনেকগুলো অনলাইনের ব্যাপারে তদন্ত শেষ হয়েছে এবং বাকিগুলোর ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা সেগুলোও নিবন্ধনের আওতায় আনবো। সব অনলাইনকে অবশ্যই নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে। কারণ নিবন্ধন না থাকলে দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি থাকে। সেজন্য নিবন্ধিত হতে হবে।

বর্তমান সরকারের আমলে মিডিয়ার বিকাশ ঘটেছে দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে গণমাধ্যমের যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে বাংলাদেশে, সেটি খুব বেশি দেশে হয়নি। গত ১০ বছরে বাংলাদেশে টেলিভিশনের সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি হয়েছে। অর্থাৎ ১০টি থেকে ৩৪টি। ১০ বছর আগে অনলাইন যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল সেখানে এখন কয়েক হাজার। দৈনিক সংবাদপত্রের সংখ্যা সাড়ে ৭শ’ থেকে প্রায় ১৩শ’র কাছাকাছি।

সঠিক সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি সংবাদ পরিবেশন করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের মধ্যেই একটি প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশিত হয়। সংবাদ পরিবেশনের আগে যে পরিমাণ এডিটিংয়ের প্রয়োজন হয়, যে পরিমাণ চেক-কাউন্টার চেকের প্রয়োজন হয়, দ্রুত সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে সেটি অনেক সময় করা সম্ভব হয় না। এটি বিশেষত অনলাইনের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে অবশ্যই সঠিক সংবাদ সবার আগে পরিবেশন করবেন। কিন্তু সেটি যেন পুরোপুরিভাবে সঠিক হয়, সেদিকও লক্ষ্য রাখতে হবে।

গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যমের ভূমিকা রাষ্ট্রগঠনে, সমাজ গঠনে ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনার ক্ষেত্রে এবং দায়িত্বশীলদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমারা মনে করি যে সমাজে সমালোচনা থাকে না, সেই সমাজ গণতান্ত্রিক সমাজ হতে পারে না। যে কোনো গণতান্ত্রিক সমাজের প্রধান বিষয় বিতর্ক এবং সমালোচনা। শেখ হাসিনার সরকার তর্কভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি লালন করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: