বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «  

শিকড়ের সন্ধানে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের তরুণী



নিউজ ডেস্ক:: শিকড়ের সন্ধানে বাংলাদেশে এলেন নেদারল্যান্ডের তরুণী নওমি উইলেমসেন (২১)। গত বুধবার মা লিপি বেগমের হারানো পরিবারের খোঁজে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়ার চর ও কাজিরবাড়ি গ্রামে আসেন তিনি।

জানা যায়, নওমির মা লিপি বেগমকে তিন বছর বয়সে ঢাকার একটি অরফানেজ ট্রাস্ট থেকে দত্তক নিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডের এক নাগরিক। ঢাকার ওই অরফানেজ ট্রাস্টের ঠিকানার সূত্র ধরে জন্মের প্রায় ৪৪ বছর পর তিনি গত বছর স্বামী জেসপিয়ার উইলেমসেনকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। মাদারগঞ্জের কাজিয়ার চর ও কাজিরবাড়ি গ্রাম ঘুরে পরিবারের কথা জানতে পারলেও তাঁদের খুঁজে পাননি তিনি। এ বছর তাই মেয়ে নওমি এসেছেন মায়ের পরিবারকে খুঁজে বের করতে।

নওমি বলেন, ‘আমি নেদারল্যান্ডসে বেড়ে উঠেছি। বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার তেমন জানা নেই। তবে মায়ের জন্ম বাংলাদেশে হওয়ায় আমিও নিজেকে এ দেশের একটা অংশ মনে করছি। প্রথমবার এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে জামালপুরের মানুষ খুব অতিথিপরায়ণ। আমি আশাবাদী যে আমার নানি আর দুই খালাকে খুঁজে পাব। এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চাই।’

নওমির সঙ্গে আসা ভারতের আইনজীবী অঞ্জলি পাওয়ার জানান, ১৯৭৪ সালে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়ারচর গ্রাম বা কাজিরবাড়ি গ্রামের মো. আরসি শেখ মারা যান। তখন দেশে দুর্ভিক্ষ চলছিল। তাঁর মৃত্যুর দুই মাস আগে তাঁর স্ত্রী সখিনা বেগম এক কন্যাশিশুর জন্ম দেন। তাঁর নাম রাখা হয় লিপি বেগম। কিন্তু তিন মেয়েকে লালনপালন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ায় বিধবা সখিনা বেগম নিরুপায় হয়ে মাত্র তিন মাস বয়সী শিশু লিপি বেগমকে ঢাকায় একটি অরফানেজ ট্রাস্টে রেখে আসেন।

১৯৭৭ সালে নেদারল্যান্ডসের একজন নাগরিক ঢাকার ওই অরফানেজ ট্রাস্ট থেকে তিন বছর বয়সী শিশু লিপি বেগমকে দত্তক নিয়ে যান। বড় হওয়ার পর থেকেই শিকড়ের খোঁজ করা শুরু করেন লিপি। তাঁর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছেন মেয়ে নওমিও। কিন্তু নওমির নানির বাড়ির সঠিক ঠিকানা এখনো পাওয়া যায়নি।

নওমি নেদারল্যান্ডসের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউরোপিয়ান স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক পাস করেছেন। বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজ করছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: