শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিতে চান না মুক্তিযোদ্ধা, ডিসিকে চিঠি



নিউজ ডেস্ক:: মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের ভুঁইয়া। এজন্য তিনি জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনও করেছেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করায় তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

আবেদনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের এই মুক্তিযোদ্ধা। ১৬ নভেম্বর ডাকযোগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনটি পাঠিয়েছেন তিনি। জানা গেছে, আবুল খায়ের উপজেলা সদরের মুন্সীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধে ৬ নং সেক্টরে অধীনে একটি কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর তার নেতৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে দেবীগঞ্জ মুক্ত হয়।

লিখিত আবেদনে আবুল খায়ের বলেছেন, দেবীগঞ্জ উপজেলায় ১৬৪ জন মুক্তিযোদ্ধা আছেন। এর মধ্যে ৪৩ জনই ভুয়া। ২০১২ সাল থেকে এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী, দুর্নীতি দমন কমিশন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি।

বহু আন্দোলন সংগ্রামের পর তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের সহযোগিতায় ২০০৯ সালে প্রথম দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালন হয়। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তার নেতৃত্বে দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে মূল উদ্যোক্তাকে অবমূল্যায়ন করে নামধারী মুক্তিযোদ্ধারা নামমাত্র অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালন করছে।

তিনি বলেন, যেখানে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দাপটে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা জিম্মি, সেখানে মৃত্যুর পর একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার দাফন কাফনে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন, এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। তাই মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রত্যাখ্যান করছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান চান না বলে আবেদন করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: