শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «  

মিয়ানমারকে ২৫ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিলো বাংলাদেশ



নিউজ ডেস্ক:: নিজেদের ভূমি রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনের আগে যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৬ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের প্রায় ২৫ হাজার লোকের নতুন একটি তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান। মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রসচিব মিন্ট থোয়ে।

পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান বলেন, মিয়ানমার পক্ষ বলেছে যে তারা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার জন্য বোঝাচ্ছেন। কিন্তু রোহিঙ্গা শিবিরে তাদের আলোচনার সময় তারা ফেরার অনুরোধ জানালে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা হাসছিলেন।

রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থার ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন কামরুল আহসান। মিয়ানমারের পররাষ্ট্রসচিব মিন্ট থোয়ে বলেন, আমরা তাঁদের (রোহিঙ্গা) ফিরিয়ে নিতে রাজি আছি। এ জন্য কী কী করা হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছেন। তাদের বেশির ভাগই ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর চুক্তি সই করে। পরে দুই দেশ ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ চুক্তি করে। ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

রোহিঙ্গাদের প্রথম দলের ফেরার কথা ছিল গত বছরের ১৫ নভেম্বর। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ না থাকায় রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি না হওয়ায় এ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: