রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

মাটির নিচে ১২০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান!



নিউজ ডেস্ক:: মাটির নিচে পাওয়া গেল ১২০০ বছরের পুরনো মসজিদ! ইউরোপের এক সময়ের মুসলিম অধ্যুষিত দেশ স্পেনের বর্তমান রাজধানী মাদ্রিদের রেকোপোলিস গ্রামে এ মসজিদের সন্ধান পাওয়া গেছে। মাদ্রিদের প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, মাটির নিচ থেকে যে স্থাপনা বেরিয়ে এসেছে তা দেখতো পুরোপুরি মসজিদের মতোই। আর এ মসজিদটিই ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

রেকোপোলিস শহরে ৬০০ শতকের দিকে নির্মিত প্রাচীন এ মসজিদটি মাটির নিচে চাপা পড়েছিল বলে জানায় প্রত্নতত্ত্ববিদরা। রেকোপোলিস শহরটি ভিসগথিক শাসকরা নির্মাণ করেন। শহরটিতে মুসলিম শাসনামলের বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে। ৮০০ শতকের দিকে রেকোপোলিস শহরটি পরিত্যক্ত হয়।

প্রত্নতত্ত্ববিদরা খননকাজ ছাড়াই জিওম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে তাদের অনুসন্ধান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা এ স্থানের মাত্র আট শতাংশ তথ্য উপাত্ত উদঘাটন করতে পেরেছেন। হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল ম্যাকক্রোমিক জানান, যত জায়গায় আমরা জরিপ করেছি, প্রায় সব জায়গার ভবন, সড়ক ও গলি অনুসন্ধান করেছি।

২০১৪ সালে এই স্থান ভ্রমণ করতে এসে তিনি তার বন্ধু স্পেনের আলচালা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ল্যারো ওলমোকে রসিকতা করে বলেন, এখানে একটি প্রাসাদ, একটি চ্যাপেল ও কিছু দোকানপাটের অবশিষ্টাংশ দেখা যায় কিন্তু বাকি শহরটি গেলো কোথায়?

পরবর্তী বছর ২০১৫ সালে তিনি পুরো শহরটির জরিপের কাজ শুরু করেন। কয়েকজন সহকর্মীসহ জিওম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে তিনি স্থানটির সম্পূর্ণ জরিপ করেন। জরিপ চলাকালীন সময় প্রত্নতত্ত্ববিদরা লক্ষ্য করেন, অন্যান্য স্থাপনার চেয়ে একটি স্থাপনা ভিন্ন। যেটি পবিত্র নগরী মক্কা অভিমুখী। এছাড়াও স্থাপনাটির নকশাও প্রায় মধ্যপ্রাচ্যের মসজিদের আদলে নির্মিত।

তবে প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানান, মাটি না খুঁড়ে পুরোপুরি নিশ্চত হওয়া যাচ্ছে না যে, এটি মসজিদ নাকি অন্য কিছু। তবে নির্মাণ শৈলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে যে, মসজিদের আদলে কেবলামুখী এ স্থাপনাটি মসজিদই হতে পারে। যদি এটি নিশ্চিত মসজিদই হয় তবে তা হবে ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ। যা হিসেবে প্রায় ১২০০ বছরেরও বেশি পুরনো হবে। এমনটিই দাবি করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: