বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক ইজিএনের নতুন সভাপতি, অনুরূপ সম্পাদক  » «   ফিনল্যান্ডে ভাষা শহীদ দিবস পালন  » «   ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «  

ব্রিটেনের নির্বাচন থেকে ট্রাম্পকে দূরে থাকতে বললেন বরিস জনসন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আগামী সপ্তাহে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে লন্ডন সফরে এসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ব্রিটিশ রাজনীতিতে জড়িয়ে না পড়েন, তাহলে সেটা খুবই ভালো হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে বরিস যতোই না করুক না কেন ট্রাম্প কিন্তু ধীরে ধীরে অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ব্রিটিশ নির্বাচনে নিজেকে জড়িয়ে ফেলছেন।

ইতিমধ্যে তিনি বলেও ফেলেছেন যে বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুবই খারাপ হবেন। কাজেই ব্রেক্সিট পার্টির নেতা নাইজেল ফারাজের সঙ্গে বরিস জনসনের একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া উচিত।

শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, অনেকটা অবচেতনেই অন্য দেশের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন ট্রাম্প। কিন্তু কনজারভেটিভ পার্টির সিনিয়র নেতারা আগেভাগেই বিচলিত হয়ে রয়েছেন যে ট্রাম্প যখন লন্ডনে আসবেন, তখন তাদের নির্বাচনী প্রচারকে হতাশায় ফেলে দিতে পারেন তিনি।

নির্বাচনী জরিপে জয়ের পথে রয়েছেন লন্ডনের সাবেক এই মেয়র ও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এলবিসি রেডিওকে ৫৫ বছর বয়সী বরিস জনসন বলেন, পছন্দনীয় মিত্র ও বন্ধুদের মতো ঐতিহ্যগতভাবে আমরা এটা করতে পারি না। আমরা পরস্পরের নির্বাচনী প্রচারে জড়িয়ে পড়তে পারি না।

তিনি বলেন, সবচেয়ে ভালো কাজ হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মতো আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকে এবং দুই দেশই পরস্পরের নির্বাচনে সম্পৃক্ত না হই। ক্ষমতায় থাকতে পারলে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বরিস। আগামী সোমবার লন্ডনে পা রাখবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এমন এক সময় তিনি দেশটিতে আসবেন, যখন বরিস জনসনকে ব্রিটেনের ট্রাম্পে বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। এর আগের সফরে ব্রেক্সিট নীতি নিয়ে বরিসের পূর্বসূরি তেরেসা মের সমালোচনা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: