সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

বুয়েট ভিসিকে নিয়ে যা বললেন আবরারের বাবা



নিউজ ডেস্ক:: বাড়িতে এসেও দেখা না করে চলে যাওয়ায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম কাপুরুষতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নিহত আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

কিন্তু গ্রামবাসীর তোপের মুখে আবরারের বাড়িতে না ঢুকে সামনের রাস্তা থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রহরায় তিনি দ্রুত চলে যান।

ভিসি বাড়িতে এসেও দেখা না করে চলে যাওয়ায় ক্ষোভের সঙ্গে ফাহাদের বাবা বরকতউল্লাহ বলেন, ভিসি মহোদয় সম্মানীয় ব্যক্তি তিনি আমার বাড়ির দরজায় এসে ঘরে না ঢুকে কেন চলে গেলেন। তিনি কাপুরুষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আমার ছেলের লাশ দেখাতো দূরের কথা ছেলের জানাজা নামাজেও শরীক না হয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষ। ভিসি মহোদয় বাড়িতে আসবেন শুনে এলাকাবাসী দারুন খুশি হয়েছিল। এলাকাবাসী ভিসির নিকট ফাহাদের খুনিদের শাস্তির দাবি জানাতে বাড়ির সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছিল। সেখানে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছিল তার পরও তিনি আমার সঙ্গে ও ফাহাদের মায়ের সঙ্গে দেখা না করে চলে গেলেন এতে আমার পরিবার দারুণভাবে মর্মাহত।

ফাহাদের পিতা বলেন, ভিসি চলে যাওয়ার পর কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে আমার ছেলে আবরার ফাইয়াজের বুকে আঘাত করেছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া ফাহাদের মামাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে পুলিশ নির্দয়ভাবে প্রহার করে আহত করেছে।

তিনি বলেন, প্রকাশ্যে পুলিশের এই ন্যক্কারজনক আচরণে লাকাবাসী খুশি হতে পারেনি। আমরা ছেলে হারানোর বেদনায় যখন শোকে কাতর। তখন ভিসির এই ধরনের আচরণে আমরা দারুণভাবে ব্যথিত মর্মাহত। ফাহাদের পিতা সাংবাদিকদের আরও বলেন, খুনি ছাত্রদের আজীবনের জন্য বুয়েট থেকে বহিষ্কার করতে হবে আর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রমাণ পাওয়ার পরে তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: