সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

বিশ্বনাথে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে



BAU_Child_Labour_news_Pic_1-300x266নিউজ ডেস্ক :: বিশ্বনাথে শিশু শ্রমিক সংখ্যা দিন দিন আস্কাজনক হারে বাড়ছে। দরিদ্রতার কারণে অনেক অভিভাবক তাদের শিশু সন্তানদের স্কুলে না পাঠিয়ে জীবন-জীবিকার সন্ধানে কাজে পাঠাচ্ছেন। এলাকার অনেক শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখা-পড়া শেষ করার আগেই ঝরে পড়ছে। যে বয়সে শিশুদের বই খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে তারা জীবিকার টানে হোটেল-রেস্টুরেন্ট,চা-স্টল,ইট ভাংগা,নির্মান কাজ,রিকসা চালানো,গাড়ির হেলপার,দোকান কর্মচারীসহ বিভিন্ন ধরনের কঠিন ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে জড়িয়ে পড়ছে।

এসব শিশুদের সংঙ্গে আলাপ হলে জানা যায়, এদের বেশির ভাগই দরিদ্র ও বিত্তহীন পরিবারের সন্তান। পারিবারিক আর্থিক অনটনে তারা শিশু শ্রমে যুক্ত হয়েছে।
চা-ষ্টালের শিশু শ্রমিক সুমন (৮) এর সাথে আলাপ কালে জানা যায়,তার মা-বাবা স্কুলে ভর্তি করতে চেয়েছিল,কিন্তু অর্থের অভাবে স্কুল ছেড়ে চা-ষ্টলে ৩ শত টাকা বেতনে চাকরি নিয়েছে। সারাদিন এ দোকান ও দোকানে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ছুটোছুটি করে সুমন ক্লান্ত পায়ে রাতে বাড়ি ফিরে। পরদিন কাকডাকা ভোর থেকে আবার শুরু হয় তার কর্মব্যস্ততা।
সুমনের মতো উপজেলায় অনেক শিশুশ্রমিক রয়েছে। তেমনি আর এক শিশু মিলন (৯) রিকসা চালায় বিশ্বনাথ বাজারে। তার বাবা কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিন বছর আগে। সংসারে সে বড় সন্তান হওয়ায় কাজ হিসেবে বেচে নিয়েছে বাবার রেখে যাওয়া রিকসা।
এক পরিসংখ্যায় দেখা গেছে, অধিকাংশ শিশু শ্রমিকের বয়স ৭/১০ বছর। এসব শিশু শ্রমিক মালিক দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামান্য ভুল হলেই নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। সরকারের পক্ষ থেকে শিশুশ্রম বন্ধের আইন থাকলে তার যথাযথ বাস্তবায়ন নেই। এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলেও সচেতনতার অভাবে অনেক অভিভাবক তাদের শিশু সন্তানদের স্কুল থেকে ছাড়িয়ে কাজে ভর্তি করে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: