রবিবার, ৭ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

পরিবহন ধর্মঘটে বিপর্যস্ত প্যারিস; ৩৮০ কিমি ট্র্যাফিক জ্যাম!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস গতকাল শুক্রবার ট্র্যাফিক জ্যামের কারণে স্থবির হয়ে পড়ে। গণপরিবহন কর্মীদের ধর্মঘটের কারণে এ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। এক দশকের মধ্যে এটা প্যারিসে বৃহত্তম ধর্মঘট। প্যারিসে গতকাল সন্ধ্যার পরে ৩৮০ কিলোমিটারের বেশি ট্র্যাফিক জ্যাম দেখা গেছে। এই ট্র্যাফিক জ্যাম ছিল অন্য দিনগুলোর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

২০০৭ সালের পরে এটাই বৃহত্তম ধর্মঘট। এটি ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর প্রস্তাবিত পেনশন সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধরনের প্রতিবাদ। একটি সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা তৈরি করার পরিকল্পনা করেছেন ফরাসী প্রেসিডেন্ট।

এ বিষয়ে তিনি জানান, পাবলিক পেনশন স্কিমটিকে আরও ভালোভাবে গড়ে তোলা হবে।কিন্তু পরিবহন ইউনিয়নগুলি বলছে, এই স্কিম কিছু শ্রমিকের অবসর নেওয়ার অধিকারকে প্রভাবিত করবে। এদিকে, আগামী সপ্তাহে নার্স এবং আইনজীবীসহ অন্যান্য সেক্টরের শ্রমিকরা ধর্মঘটের পরিকল্পনা করেছেন।

শুক্রবার গণপরিবহন অপারেটর আরএটিপি নগরীর ১৬টি মেট্রো লাইনের মধ্যে ১০টি বন্ধ করে দেয়। বাস, ট্রাম, আঞ্চলিক ট্রেন এবং অন্যান্য পরিষেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এই ধর্মঘটের কারণে প্যারিসের বাসিন্দা ও পর্যটকরা বাইক এবং বৈদ্যুতিক স্কুটার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। গাড়ি বা ট্যাক্সি ব্যবহারকারীদের তীব্র যানজটের মুখোমুখি হতে হয়।

রাইড-হেলিং পরিষেবাগুলি চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে বর্ধিত মূল্য আদায় করেছে তারা। অন্য দিনের তুলনায় ভাড়া ছিল তিনগুণেরও বেশি। ১০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্ব যাতায়াতে ১০০ ডলার ব্যয় করতে হয়েছে যাত্রীদের।

এদিকে, যানজট নিরসনের জন্য অনেক শ্রমিককে বাড়িতে থেকে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। যাতায়াতে ভোগান্তি সত্ত্বেও ভুক্তভোগীদের মধ্যে কয়েকজন এই ধর্মঘটের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ধর্মঘটের ওপর নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

সূত্র : দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: