বুধবার, ১২ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

দেশের আইসিইউতে ৮০ ভাগ মৃত্যুর কারণ ‘সুপারবাগ’!



নিউজ ডেস্ক:: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ৮০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য ‘সুপারবাগ’ দায়ী হতে পারে।ব্রিটিশ পত্রিকা টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন বিএসএমএমইউ’র একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক।এই সুপারবাগ হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কার্যকারিতা প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া।

আইসিইউ বিভাগের ডা. সায়েদুর রহমান টেলিগ্রাফকে বলেন, “২০১৮ সালে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে ভর্তি হয়েছিলেন আনুমানিক ৯০০ জন রোগী। এদের ৪০০ জনই মারা গেছেন।”তিনি বলেন, “এসব মৃত্যুর প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়া জীবাণু বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের ফলে।”বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে এই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী পরিস্থিতি ভয়াবহ।

যথাযথভাবে অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা অনুসরণ না করা, গবাদিপশু মোটাতাজা বৃদ্ধিতে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবহার, চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া এবং দোকান থেকে অবৈধভাবে অ্যান্টিবায়োটিক কেনার সুযোগকে এক্ষেত্রে দায়ী করা হয়েছে।

ডা. সায়েদুর বলেন, “এ ক্ষেত্রে আরও বেশি নিরাপত্তা থাকা উচিত যাতে স্থানীয়ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া না যায় এবং তা শুধু হাসপাতাল থেকেই বিতরণ করা উচিত।”গত ২০১৫ সালে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব সায়েন্টিফিক রিসার্চ-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অনুমোদন ছাড়াই বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় এক ইংরেজি পত্রিকাকে বিএসএমএমইউ’র মাইক্রোবায়োলজি এবং ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমেদ আবু সালেহ বলেন, “১০ বছর আগেও এ রকম পরিস্থিতি ছিল না।”তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সকল আইসিইউতে ৭০ শতাংশ মৃত্যুর জন্যই দায়ী হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা প্রতিরোধী সুপারবাগকে দায়ী করা যেতে পারে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: