শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

তাপদাহের মধ্যে আরাফাত ময়দানে ‘শান্তির বৃষ্টি’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: হজের দ্বিতীয় দিনে ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছিল আরাফাত ময়দান। তীব্র গরম উপেক্ষা করেই সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভের আশায় সেখানে হাজির হয়েছেন ২০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তবে, গরমে খুব বেশিক্ষণ কষ্ট করতে হয়নি তাদের। দুপুরের তীব্র রোদের মধ্যেই হঠাৎ আকাশ কালো করে নেমে আসে এক পশলা বৃষ্টি।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা। সেদিন মিনায় অবস্থান করে রাতেই আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করেন সবাই। মূলত জিলহজের ৯ তারিখে এ ময়দানে অবস্থান করাই হজ। শনিবার (১০ আগস্ট) আরাফাত ময়দানে হাজির হয়ে কেউ পাহাড়ের ওপর, কেউ নিচে, কিংবা অন্য কোনো সুবিধাজনক জায়গায় বসে ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু দুপুর পার হতেই হঠাৎ শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি ও বজ্রপাত।

অনেকের মতে, গরমের মধ্যে এমন বৃষ্টি আল্লাহর রহমত। বান্দার কষ্ট লাঘবের জন্যই তিনি রোদের মধ্যে বৃষ্টি দিয়েছেন। বৃষ্টি-বজ্রপাত হলেও হজের আনুষ্ঠানিকতার কোনো পরিবর্তন হবে না। নিয়ম অনুযায়ী, সূর্যাস্তের পর আরাফাত ময়দান থেকে মুজদালিফার ময়দানে যাবেন তারা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর রোববার (১১ আগস্ট) শয়তানের স্তম্ভে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।

ফজরের নামাজ শেষে বড় জামারায় (প্রতীকী বড় শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর হাজিরা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনে পশু কোরবানি দিয়ে মাথা মুণ্ডাবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরো কাপড় বদল করবেন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ বিদায়ী তাওয়াফ করবেন।

অবশ্য মক্কায় গিয়েই হজযাত্রীরা প্রথমে একবার পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করেন। বিদায়ী তাওয়াফের পর ইহরাম ত্যাগ করার কাজ সম্পন্ন করবেন তারা। কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় সাঈ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে আবার মিনায় যাবেন তারা। মিনায় যতদিন থাকবেন, ততদিন তিন (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানের উদ্দেশে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: