শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট



নিউজ ডেস্ক:: ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও পশুবাহী ট্রাকের কারণে যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে কচ্ছপ গতি। এতে নাকাল হয়ে পড়েছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গগামী ঘরমুখো সাধারণ মানুষ। তবে ঢাকামুখী যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এছাড়া সিরাজগঞ্জের হটিকমরুল মোড় এবং নলকা সেতু দিয়ে গাড়ি ঠিকমত না টানতে পারায় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা ছয়বারে সাড়ে ছয় ঘন্টা বন্ধ করে দেয়া হয়। এ কারণে টাঙ্গাইল অংশে ৪০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আরাফাত হোসেন নামের এক বাসযাত্রী জানান, তিনি ভোর চারটায় ঢাকার গাবতলী থেকে গাড়িতে উঠেছেন। দুপুর গড়িয়ে গেলেও টাঙ্গাইলের সীমানা পার হতে পারেননি। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে নগর জলফৈ বাইপাসেই রয়েছেন।

পাবনাগামী মাইক্রোবাসচালক শফি উদ্দিন জানান, ভোর পাঁচটায় তিনি গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে রিজার্ভে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে আটটায় তিনি টাঙ্গাইল সীমানায় ঢুকেছেন। কিন্তু এখন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত করটিয়া বাইপাস পার হতে পারেননি।

শনিবার দুপুরে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গগামী লেন অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে পুরোটাই বন্ধ রয়েছে। তবে ৫/১০ মিটিনের জন্য গাড়ি চলাচল করলেও আবার নগর জলফৈ এলাকায় প্রশাসন বন্ধ করে দেন। তবে পুলিশ বলছেন, যানজট মুক্ত রাখতেই এ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এ অবস্থায় সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছে নারী ও শিশুরা। একদিকে যানজট অন্যদিকে প্রচণ্ড গড়মে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন তারা।

কয়েকজন বাস চালক জানান, এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের সুবিধা ভোগ করতে পারলেও এলেঙ্গার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেনে গাড়ি চালাতে হয়। ঈদে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ দ্বিগুনেরও বেশি বেড়ে যায়। এছাড়া এলেঙ্গায় রাস্তার অবস্থা বেহাল, এরপর জামালপুর ও ময়মনসিংহের আঞ্চলিক মহাসড়কের যানবাহনগুলো লিংরোড দিয়ে প্রবেশের সময় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, সিরাজগঞ্জের নলকা সেতুতে গাড়ি টানতে না পাড়ায় টাঙ্গাইল অংশে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। আবার অতিরিক্ত গাড়ির চাপের কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দীর্ঘ লাইন হয়ে যায়। এজন্য সেতুর পর থেকে চাপ কমাতে থেমে থেমে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ঘরমুখো মানুষদের নিরাপদে বাড়ি ফেরা নির্ভিঘ্নে করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এছাড়াও তিনিসহ (জেলা প্রশাসক) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছেন।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, সিরাজগঞ্জের হটিকমরুল ও নলকা সেতুতে গাড়ি ঠিকমত টানতে না পারায় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা ছয় বারে সাড়ে ছয় ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়। এ কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব থেকে টাঙ্গাইল অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে প্রায় ৭০০ পুলিশ মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করায় শনিবার বিকালের মধ্যেই যানজট নিরসন হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: