সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

জিন্দাবাজারে ছাত্রলীগ কর্মীকে পেটালেন তাঁতী লীগ নেতা



নিউজ ডেস্ক:: সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করা হয়েছে। তাঁতী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে নেওয়াজ আহমদ (২৩) নামে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নেওয়াজ দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের নেতা। শুত্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জিন্দাবাজারের পালকী রেস্টুরেন্টের সামনে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষদশী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে মোটরসাইকেলযোগে পালকী রেস্টুরেন্ট থেকে বের হচ্ছিলেন নেওয়াজ। এসময় প্রাইভেটকার নিয়ে সড়কে ছিলেন মহানগর তাঁতী লীগ নেতা আজহারুল ইসলাম মুনিমসহ একদল যুবক। নেওয়াজ মূল সড়কে আসামাত্র তাকে মোটর সাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করেন মুনিমসহ তাঁর সঙ্গের যুবকরা।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজ হাসান তান্না বলেন, আমি একটি অনুষ্ঠানে ছিলাম। এসময় তাঁতী লীগের মুনিম আমাকে ফোন করে জানান, নেওয়াজ তাঁর সাথে বেয়াদবি করেছে। এই খবর শুনে শুনে আমি জিন্দাবাজারের দিকে রওয়ানা দেই। কিন্তু ঘটনাস্থলে আসার আগেই নেওয়াজকে মারধর করে তাঁরা চলে যান। চিকিৎসার জন্য নেওয়াজকে ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তান্না।

তবে মারধরের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আজহারুল ইসলাম মুনিম বলেন, নেওয়াজ আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। শুক্রবার রাতে জিন্দাবাজারে তিনি অসংলঘ্ন আচরণ করছিলেন। এসময় স্থানীয় পথচারীরাই তাকে মারধর করেন। আমি তাকে উদ্ধার করেছি।

মারধরের কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানিয়েছেন কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সেলিম মিয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: