মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

জম্মু-কাশ্মীর ভাগ হচ্ছে ৩১ অক্টোবর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়ার তিন দিনের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর বিচ্ছিন্নতা বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ৩১ অক্টোবর থেকে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে যাবে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। একদিকে থাকবে জম্মু ও কাশ্মীর, অন্যদিকে লাদাখ।

ওই দুই এলাকার উপরাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে ভারতের সাবেক আইপিএস কর্মকর্তা বিজয় কুমারের নাম। তামিলনাড়ুর ১৯৭৫ ব্যাচের ওই আমলা ২০১৮ সাল থেকে রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতের তথাকথিত বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলন দমনে তার বিশেষ সুনাম আছে। শোনা যায় চন্দন দস্যু বীরাপ্পনকে হত্যার পিছনেও বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ছিলেন ওই আমলা। এছাড়া ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএসএফ-এর আইজি হিসাবে কাশ্মীরে ছিলেন এই বিজয়। তখন কাশ্মীরি জনতার মন থেকে স্বাধীনতার স্পৃহা চিরতরে বিনাশ করতে এই ব্যক্তিকেই রাজ্যপালের উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছিল।

এছাড়া কেরলার ক্যাডারের আইপিএস দীনেশ্বর শর্মার নামও শোনা যাচ্ছে। এর আগে ২০১৭ সালে তিনি জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শান্তি ফেরাতে রাজনৈতিক দলগুলি ছাড়া হুরিয়তের সঙ্গেও আলোচনার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি। তবে পিডিপি সরকার থেকে বিজেপি সমর্থন তুলে নিতেই তার দায়িত্ব কার্যত শেষ হয়ে যায়।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আগামী কয়েক মাস কাশ্মীরে যে অস্থিরতা বজায় থাকবে তা নিশিবচত। তাই এখনই সেখানে ভোট হচ্ছে না। ফলে উপরাজ্যপালের হাতেই থাকবে সেখানকার পুরো শাসন ক্ষমতা। সূত্রটি আরো জানাচ্ছে, এই দু’জনকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: