রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

ছাই বুকে নিয়ে কাঁদছেন ক্ষতিগ্রস্থরা, পোড়া ডিম খেতে ব্যস্ত উৎসুক মানুষ



নিউজ ডেস্ক:: গুলশান-১ এর ডিএনসিসি মার্কেটে লাগা আগুনের স্পটে। আগুনে ওই মার্কেটের দুই শতাধিক দোকান পুড়ে গেছে। পোড়া দোকানের ছাই বুকে নিয়ে কাঁদছেন ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকরা। তাদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন পরিচিত আত্নীয়-স্বজনরা।

কিন্তু কিছু মানুষ ব্যস্ত রয়েছে নিজেদের স্বার্থে ও পেট পুরতে। সুযোগসন্ধানী মানুষদের অনেকেই দেখার ছলে পোড়া মার্কেটে প্রবেশ করেছেন। তারা পুড়ে যাওয়া জিনিস থেকে ভালো কিছু নিতে সটকে পড়ার ধান্দায় ব্যস্ত। অবশ্য পুলিশ তৎপরতায় সফল হতে পারছে না তারা।

শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে পুড়ে যাওয়া এক ডিমের দোকান থেকে পোড়া ডিম কুড়াতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। কেউ কেউ ডিম পকেটে ভরে চলে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সেখানে দাঁড়িয়েই একের পর এক পোড়া সিদ্ধ ডিম খাচ্ছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকের অনুমতি ছাড়া ডিম খাচ্ছেন কেন- জানতে চাইলে এক ব্যক্তি বলেন,‌ ভাই দোকানওয়ালার তো সব গেছেই। এখন এই পোড়া ডিম নষ্ট হচ্ছে তাই খেয়ে নিচ্ছি। একই প্রশ্ন অপর এক ব্যক্তিকে করায় রেগে যান তিনি।

ডিএনসিসি মার্কেটে আগুনে পোড়া দোকানের মধ্যে আছে বুনিয়াদি, কাঁচামাল, চালের দোকান সহ অনেকে নিত্যপণ্যের দোকান। এই আগুন সবই পুড়ে ছাই বানিয়ে দিয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পোড়া ছাইয়ে শেষ সম্বল টুকি খোঁজার চেষ্টা করেছেন দোকান মালিকেরা।

বেলা ১১ টার পরে থেকে নিজ নিজ দোকানে প্রবেশ করে শুধু ছাই ছাড়া আর কিছুই মিলছে না তাদের ভাগ্যে। কেউ কেউ ছাইয়ের মধ্যে পড়ে থাকা সামান্য জিনিসপত্র কুড়িয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার কুড়িয়ে নেওয়ার মতোও কিছু পাচ্ছেন না। তাই পোড়া ছাইয়ের ওপরে বসে কান্নাকাটি করেছেন অনেক দোকানি।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছিল গুলশান ১ নম্বর ডিএনসিসি মার্কেট। তখন দোতলা মূল বিপণি বিতানের পাশের কাঁচাবাজারও সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল। তারপর ওই বাজারটি নতুন করে গড়ে তোলার দুই বছরের মধ্যে আবার তা পুড়ে গেল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: