রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে



নিউজ ডেস্ক:: বেসরকারি একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা রিনি রাজীউন তিসা। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের মাঝে ছুটি পেলে ঘুরে বেড়ান দেশ-বিদেশে। ফিরে আসার সময় মা-বাবার জন্য কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের উপহার নিয়ে আসেন।

এবারের ছুটিতে গত ১৪ নভেম্বর চীনে গিয়েছিলেন তিনি। দেশে ফেরার আগে ভাবলেন বাবা-মায়ের জন্য কী আনবেন? বাবাকে কল দিয়ে জানতে চাইলেন, বাবা এবার তোমাদের জন্য কী আনবো? বাবার উত্তর, যদি প্রয়োজনীয় কিছু আনতে চাও, তাহলে কয়েক কেজি পেঁয়াজ নিয়ে এসো। এখানে (ঢাকার সেগুনবাগিচা) পেঁয়াজের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

এরপর তিসা অন্য কোনো উপহার না কিনে ৩৮ টাকা করে ১১ কেজি পেঁয়াজ কিনলেন বাবা-মায়ের জন্য। দেশে আসার পর বিমানবন্দর কাস্টমসের লোকেরা সেই পেঁয়াজ দেখে অবশ্য মুচকি হেসেছিলেন।

তিসা জানান, চীনের একটা গ্রোসারি দোকান থেকে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেখি তার কাছে ১১ কেজিই আছে। দোকানি অবাক হয়ে দেখল আমার পেঁয়াজ কেনা। ১১ কেজি হবার পর একটা পেঁয়াজ বেশি ছিল, সেটাও গিফট হিসেবে দিয়ে দিয়েছে। দোকানির হাসি দেখে মনে হয়েছে কোনো বিদেশি ভ্রমণে গিয়ে তার কাছ থেকে কোনোদিন এত পেঁয়াজ কেনেনি।

এদিকে বাসায় আসার পর পেঁয়াজ দেখে সবাই খুব খুশি। বাবা-মায়ের ইচ্ছাতে আত্মীয়-স্বজনদের কিছু পেঁয়াজ উপহার হিসেবে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। মামা, খালা ও চাচারা সবাই পেঁয়াজ উপহার পেয়ে আনন্দিত এবং অবাক হয়েছেন।

তিসা আরও জানান, এর আগেও অনেকবার বাবা-মাকে উপহার দিয়েছি, কিন্তু এবার পেঁয়াজ পেয়ে তারা যতটা খুশি হয়েছেন এতটা খুশি হতে দেখিনি কখনও। আমার ভালো লেগেছে এত খুশি দেখে। সেই সঙ্গে খারাপ লেগেছে দেশের অন্য মানুষের কথা ভেবে। তিসা এইচএসবিচি ব্যাংকের প্রধান শাখায় কর্মরত। তিনি রাজধানীর সেগুন বাগিচায় থাকেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: