শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

ঘানায় একসঙ্গে ৪৭৩ ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ



নিউজ ডেস্ক:: পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নালরাগু প্রদেশের ইয়াবালা গ্রামের ৪৭৩ জন বাসিন্দা এক সঙ্গে পবিত্র ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি আফ্রিকার ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউটের সদস্যদের দাওয়াত ও তাবলিগের ফলে ইয়াবালা গ্রামের এ লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করেন।

জানা যায়, ইয়াবালা গ্রামের মোট বাসিন্দার সংখ্যা ১ হাজার ২০০। এদের মধ্যে আগে ৩২০ জন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আর এ দফায় ইসলাম গ্রহণ করলেন ৪৭৩ জন। সে হিসেবে ৭৯৩ জন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

আফ্রিকার দেশগুলোতে ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউট ইসলামের প্রচার-প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তাদের দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতেই ইসলামের সুমহান আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দলে দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন।

দাওয়াত ও তাবলিগের ধারক সংগঠন ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউট। এ ইন্সটিটিউটে ইসলামের প্রচার-প্রসারে নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষার ক্লাসের আয়োজন করে চলেছেন সংগঠনটি। দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ ছাড়াও সংগঠনটি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সমাজ-সংস্কারমূলক কাজও করে থাকে। বিভিন্ন দেশে মসজিদ নির্মাণ, কূপ খনন করা ছাড়াও মুসলমানদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

এদিকে, ইয়াবালা গ্রামের এখনো কোনো মসজিদ নির্মাণ হয়নি। নেই কোনো পুরনো মসজিদও। নও মুসলিমদের উদ্যোগেই মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মসজিদ নির্মাণে মুসলমানরা আর্থিকভাবে সহায়তাও করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: