সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান, কী করবেন?



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: গ্যাস্ট্রিক ও পেটের পেটের পীড়ার নানা উপসর্গের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। জীবনযাত্রার নানান ক্ষতিকর দিকের একটি হল বুক জ্বালাপোড়া ও অম্লভাব বা ‘অ্যাসিডিটি’।

চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সঙ্গানুসারে স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকস্থলিতে থাকা ‘গ্যাস্ট্রিক’ গ্রন্থিগুলো থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসৃত হলে এই অম্লভাব দেখা দেয়। আর এর কারণে বুকের নিচের অংশে হতে পারে জ্বালাপোড়া।

বুক জ্বালাপোড়া কমানোর একটি ওষুধ হল ‘অ্যান্টাসিড’। এই ওষুধ প্রায় সবার ঘরেই থাকে।আবার অনেক সময় অনেকে তা সঙ্গে রাখেন। আর সামান্য অস্বস্তি হলেই ওষুধ খেয়ে ফেলেন। আর এখানেই বিপত্তি।

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের ঝুঁকি
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ব্যবহৃত রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। তাই কয়েকটি কোম্পানি তাদের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করেছে।আন্তর্জাতিক ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ইউএস এফডিএ’ এই গ্রুপের ওষুধে ‘এন-নাইট্রোসোডিমিথাইলামিন (এনডিএমএ)’ নামক এক উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়।‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)’ এই উপাদানকে মানুষের দেহে ক্যান্সারের জন্য সম্ভবত দায়ী বলে দাবী করে।

বাজার থেকে এই ওষুধ নিষিদ্ধ করা না হলেও চিকিৎসক ও রোগী দুপক্ষকেই এই ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে।কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিসি ডট সিএ’তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, রেনিডিন গ্রুপের ওষুধে স্বল্প মাত্রায় ‘এনডিএমএ’য়ের উপস্থিতি রয়েছে।
তাই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরমার্শ নেওয়া উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: