বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «  

গরিব দেশগুলো বেশি টাকা ছাপিয়ে বড়লোক হতে পারে!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জিম্বাবুয়ে আর ভেনিজুয়েলা তাদের অর্থনীতিতে গতি আনতে বেশি টাকা ছাপিয়েছিল একবার। কিন্তু তাতে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই হয়েছে বেশি। জিম্বাবুয়েতে যেখানে একটি মিষ্টি কিনতে এক ডলার খরচ করতে হতো, সেখানে এক বছরের মাথায় ২৩১ মিলিয়ন ডলার দাম পড়ল একটি মিষ্টির।

লোকেরা তখন বলেছিল, টাকার চেয়ে কাগজগুলোর বরং গুরুত্ব বেশি। আসলে ধনী হতে একটি দেশের প্রয়োজন বেশি জিনিস উৎপাদন। বেশি উৎপাদন না করে অধিক টাকা ছাপালে জিনিসপত্রের দাম চড়া হতে থাকে। একে বলে মূল্যস্ফীতি।

ধরা যাক, ১০ লাখ বই আছে বাজারে, যার মূল্য এক কোটি টাকা। সে ক্ষেত্রে প্রতি বইয়ের দাম ১০ টাকা। এখন বাজারে দুই কোটি টাকা থাকলে কিন্তু বইয়ের সংখ্যা বাড়বে না; বরং বৃদ্ধি পেয়ে প্রতিটি বইয়ের দাম হবে ২০ টাকা। তাতে লাভ কিছুই হলো না; বরং টাকার মান পড়ে গেল।

গত শতকের বিশের দশকে জার্মানিতে টাকার মান এতই পড়ে গিয়েছিল যে টাকা দিয়ে শিশুরা ঘুড়ি ইত্যাদি খেলার সামগ্রী তৈরি করত। তাই গবেষকরা বলছেন, জিনিসপত্রের উৎপাদন বৃদ্ধি গরিব দেশের বড়লোক হওয়ার উপায় হতে পারে। অধিক টাকা ছাপানো কোনো সমাধান নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: