বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

খুলনায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘট শুরু



নিউজ ডেস্ক:: রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল শ্রমিকরা দ্বিতীয় ধাপে চারদিনের আন্দোলন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে খুলনা-যশোর অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব নয়টি পাটকলে টানা ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘট শুরু করেছেন।ধর্মঘটের এ তিনদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা করে রাজপথ অবরোধেরও কর্মসূচি রয়েছে শ্রমিকদের।

মজুরি কমিশন, পাট খাতে অর্থ বরাদ্দ ও বদলি শ্রমিকদের স্থায়ী করণসহ ৯দফা দাবিতে পাটকল শ্রমিক লীগ সিবিএ নন-সিবিএ পরিষদ এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ক্রিসেন্ট, প্লাটিনাম, খালিশপুর, দৌলতপুর, স্টার, আলিম ও ইস্টার্ন জুটমিল এবং যশোরের কার্পেটিং ও জেজেআই জুট মিলে বর্তমানে ১৩ সহস্রাধিক শ্রমিক কর্মরত রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে তারা মিলের উৎপাদন বন্ধ রেখে ধর্মঘট ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যোগ দেন। খুলনা মহানগরীর নতুন রাস্তা মোড়ের কবির বটতলায় সড়কে টায়ারে জ্বালিয়ে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। ফলে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খুলনা-যশোর মহাসড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের খুলনা-যশোর অঞ্চলের আহ্বায়ক ও ক্রিসেন্ট জুট মিলের সিবিএ সভাপতি মুরাদ হোসেন বলেন, বিজেএমসি চেয়ারম্যান গত ২৮ মার্চের মধ্যে মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন করার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।

এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বীমার বকেয়া প্রদান, টার্মিনেশন, বরখাস্ত শ্রমিকদের কাজে পুনর্বহাল, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ী করা, পাট মৌসুমে পাটক্রয়ের অর্থ বরাদ্দ, মিলগুলোকে পর্যায়ক্রমে বিএমআরই করাসহ নয় দফা দাবি রয়েছে আমাদের। দাবি আদায়ে বাধ্য হয়ে কিছুদিন পর আবারো আমাদের আন্দোলনে নামতে হয়েছে। এ ৭২ ঘন্টায় দাবি মানা না হলে আমরা পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: